শবে মেরাজ! না, ইসরা বা ভ্রমণ কিংবা Journey? আল কোরআন আমাদেরকে কি তথ্য দেয়?

 📌 শবে মেরাজ? না, ইসরা বা ভ্রমণ কিংবা Journey?

📌 আপনি কি সবচেয়ে বড় জালিমকে চেনেন? তাহলে এখন জানতে পারবেন কে বা কারা তারা?

📌 মিথ্যা উদ্ভাবনকারীর পরিচয়!


কুরআনুল মুবিনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূল সম্পর্কে এমন কিছু বলা যা আল্লাহ অবতীর্ণ করেননি বা যা আমাদের অবগত করানো হয়নি, তা আসলে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা উদ্ভাবনের শামিল। কোরআনে একাধিক স্থানে এ সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে:

এটি একটি প্রতীকী চিত্র যা আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা উদ্ভাবনকারীদের চিত্রিত করে। এতে ছায়াময় ব্যক্তিদের দেখা যাচ্ছে, যারা মিথ্যা কথা বলছে, অথচ একটি উজ্জ্বল আলো খোলা কোরআনের ওপর পড়ছে, যা সত্য সঠিক পথের প্রতীক।

📖 “আর তোমরা যা জানো না, তা আল্লাহর সম্পর্কে মিথ্যা বলো না। নিশ্চয়ই যারা আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা উদ্ভাবন করে, তারা সফলকাম হবে না” (সূরা আল-আ’রাফ ৭:৩৩)

📖“তোমরা নিজেদের জিহ্বার সাহায্যে মিথ্যা বর্ণনা করো না”-১৬:১১৬

📖 “এবং কে তার চেয়ে বড় জালিম, যে আল্লাহর ব্যাপারে মিথ্যা রচনা করে বা তাঁর আয়াতসমূহ মিথ্যা প্রতিপন্ন করে? নিশ্চয়ই জালিমরা সফল হবে না।” (সূরা আল আন‘আম ৬:২১)

এই আয়াতগুলো প্রমাণ করে যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূল সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলা বা বিকৃত কোনো ধারণা প্রচার করা অত্যন্ত গুরুতর পাপ।


এহেন মিথ্যাবাদী, বড় জালিমের বসবাস শুধু ইউরোপে-আমেরিকাতেই?। অনেকে মনে করে, জালিমরা শুধু পশ্চিমা বিশ্বেই থাকে। আল কোরআনের আয়নায় তাকালে দেখবেন, ধর্মের নামে নেক সূরাতে এরা আমাদের সমাজের আনাচে-কানাচেই বিদ্যমান, প্রতিনিয়ত এদের ইচ্ছাকৃত-অনিচ্ছাকৃত কিংবা আল কোরআনের বিকল্প গ্রন্থ অনুসরণের ফলে সৃষ্ট বিভ্রান্তি আল্লাহ ও আল্লহর রসূলের বিরুদ্ধে মিথ্যা  আরোপ করে যাচ্ছেন। যারা সত্যকে গোপন করে, অন্যায়কে সমর্থন করে, পরোক্ষভাবে দুর্নীতি ও নিপীড়ন চালায় নিজেও তার শীকার হয়।


📌 উদাহরন হিসাবে ‘শবে মেরাজ’(লাইলাতুল মেরাজ)-এর কথাই ধরুন না কেন! 

আল-কোরআনে "মিরাজ" শব্দটি  উল্লেখ করা হয়নি। প্রচলিত ধর্মাচর্চা পালিত  হলেই তা আল কোরআনের সত্যায়ন মিলে জায়েজ হয়ে যায় না।  অথচ এসব জালিমরা কিসব কেচ্ছা-কাহিনী মানুষকে গিলায়।

আল্লাহ সু.তা. বলেন-

📖  আর অবশ্যই আমরা মানুষের জন্য এই কুরআনের মধ্যে প্রতিটি দৃষ্টান্ত থেকে বহুভাবে বর্ণনা করেছি। তবে অধিকাংশ মানুষ কেবল অস্বীকারহেতু প্রত্যাখান করেছে-17:89 📖আমরা কিতাবের মধ্যে কোনো কিছু বাদ রাখি নাই-6:38  

আল কুরআনিল হাকীমে ‘মিরাজ’ বলতে কিছু নাই, তবে যা আছে সে সম্পর্কে একটু জানার চেষ্টা করি: আছে ইসরা/ভ্রমন বা Journey!


কেন শুধু আল কোরআন থেকেই জানবো? এই কারনে যে, আল্লাহ ও আল্লাহর রসূল এখান থেকেই জানতে বলেছেন, প্রমাণ:

📖এবং আমার কাছে এই কুরআন ওহী করা হয়েছে, যেন এর দ্বারা আমি তোমাদেরকে সতর্ক করি এবং তাকেও যার কাছে তা পৌঁছবে-6:19 

📖

سُبْحَانَ ٱلَّذِىٓ أَسْرَىٰ بِعَبْدِهِۦ لَيْلًۭا مِّنَ ٱلْمَسْجِدِ ٱلْحَرَامِ إِلَى ٱلْمَسْجِدِ ٱلْأَقْصَا ٱلَّذِى بَٰرَكْنَا حَوْلَهُۥ لِنُرِيَهُۥ مِنْ ءَايَٰتِنَآ ۚ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْبَصِيرُ

"পবিত্রতা তাঁর, যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদুল হারাম থেকে সেই মসজিদুল আকসা পর্যন্ত, যার চারপাশ আমরা বরকতময় করেছি, যেন আমরা তাকে আমাদের নিদর্শনাবলী থেকে দেখাতে পারি। নিশ্চয়ই তিনি, তিনিই সর্বস্পন্দনগ্রাহী, অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন"-(সূরা আল-ইসরা ১৭:১)

📖

وَلَقَدْ رَءَاهُ نَزْلَةً أُخْرَىٰ . عِندَ سِدْرَةِ ٱلْمُنتَهَىٰ . عِندَهَا جَنَّةُ ٱلْمَأْوَىٰ . إِذْ يَغْشَى ٱلسِّدْرَةَ مَا يَغْشَىٰ . مَا زَاغَ ٱلْبَصَرُ وَمَا طَغَىٰ . لَقَدْ رَأَىٰ مِنْ ءَايَٰتِ رَبِّهِ ٱلْكُبْرَىٰ

"আর অবশ্যই তিনি তাকে আরেকবার দেখেছিলেন। সিদরাতুল মুনতাহার কাছে। এর কাছেই রয়েছে জান্নাতুল মাওয়া। যখন সিদরার ওপর যা কিছু ঢেকে গিয়েছিল, তা ঢেকে গিয়েছিল। দৃষ্টির দিক পরিবর্তন হয়নি, তা সীমা অতিক্রমও করেনি। নিশ্চয়ই তিনি তার রবের মহা নিদর্শনসমূহের কিছু দেখেছিলেন"-৫৩:১৩-১৮

📖

 لَقَدۡ اَوۡحَیۡنَاۤ اِلٰی مُوۡسٰۤی ۬ۙ اَنۡ اَسۡرِ بِعِبَادِیۡ فَاضۡرِبۡ لَہُمۡ طَرِیۡقًا فِی الۡبَحۡرِ یَبَسًا ۙ لَّا تَخٰفُ دَرَکًا وَّ لَا تَخۡشٰی 

আর অবশ্যই আমরা মূসার কাছে ওহী করেছিলাম যে, তুমি আমার বান্দাদেরকে নিয়ে রাতে বেরিয়ে পড়। এরপর তাদের জন্য সমুদ্রের মধ্যে শুকনো পথ তৈরি করো, তুমি ধরা পড়ার ভয় কোরো না এবং তুমি ভীত হয়ো না-20:77

📖এবং আমরা মূসার প্রতি ওহী করেছিলাম যে, তুমি রাতে আমার বান্দাদেরকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ো। নিশ্চয়ই তোমরা অনুসৃত-26:52 

বলা হয় আল্লাহর সংগে সালামুন আলা মুহাম্মাদ-এর সরাসরি দিদার বা দেখা হয়েছিল মিরাজে। আসলেই কি তাই? এটা কি সম্ভব? আল কোরআন কি বলে? 

📌 আল্লাহর দিদার বা দেখা সম্ভব? এটি নিয়ে নানা বিভ্রান্তি রয়েছে।  আল-কোরআন স্পষ্টভাবে বলে, আল্লাহকে সরাসরি দেখা সম্ভব নয়: 

📖“দৃষ্টিসমূহ তাঁকে বেষ্টন করতে পারে না, আর তিনিই দৃষ্টিসমূহকে বেষ্টন করেন” -৬:১০৩

এছাড়া, কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সালামুন আলা মূসা  যখন আল্লাহকে দেখতে চেয়েছিলেন, তখন আল্লাহ বলেছিলেন যে, "তুমি আমাকে কখনও দেখতে পারবে না।"

📖 “তুমি আমাকে কখনও দেখতে পারবে না, তবে তুমি পাহাড়ের দিকে তাকাও, এরপর যদি তার স্থান স্থির থাকে, তবে তুমি অচিরেই আমাকে দেখতে পারবে”-৭:১৪৩)

মোটকথা, আল-কোরআনে ইসরা সম্পর্কে বর্ণনা রয়েছে, কিন্তু সরাসরি আল্লাহর সাথে দেখা বা দিদার সম্পর্কে কোনো উল্লেখ নেই।


লক্ষ্য করুন!  সালামুন আলা মূছা এর একটি দুআ-ও আয়াত-এর ৪৬:২২  মধ্যে  ’ছদর’শব্দটির ব্যবহার রয়েছে (দ্র: ২২:৮৬ ও ২০:২৫):


আল-কুরআনের সূরা আল-হাজ্জ (২২:৪৬) আয়াতের সঙ্গে "ইসরা" (ভ্রমণ বা যাত্রা) ধারণার একটি সম্পর্ক রয়েছে। আয়াতটি হলো: 

اَفَلَمۡ یَسِیۡرُوۡا فِی الۡاَرۡضِ فَتَکُوۡنَ لَہُمۡ قُلُوۡبٌ یَّعۡقِلُوۡنَ بِہَاۤ اَوۡ اٰذَانٌ یَّسۡمَعُوۡنَ بِہَا ۚ فَاِنَّہَا لَا تَعۡمَی الۡاَبۡصَارُ وَ لٰکِنۡ تَعۡمَی الۡقُلُوۡبُ الَّتِیۡ فِی الصُّدُوۡرِ

তবে কি তারা পৃথিবীর মাঝে ভ্রমণ করে নাই, তাহলে তাদের জন্য এমন হৃদয় হতো যা দিয়ে তারা উপলব্ধি করতে পারত অথবা কানগুলো এমন, যা দিয়ে তারা শুনতে পারত। কেননা নিশ্চয়ই চোখগুলো অন্ধ হয় না, কিন্তু অন্ধ হয় হৃদয়গুলো, যা রয়েছে অন্তরসমূহের ভিতরে-22:46 

(এই আয়াতের বার্তা হলো—মানুষ যেন পৃথিবী ভ্রমণ করে, অতীতের জাতিগুলোর ইতিহাস দেখে, চিন্তা করে এবং সত্য উপলব্ধি করে। এটি আত্মিক উন্নতির একটি মাধ্যম। তাই, ইসরা বা ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য শিক্ষা ও আত্মশুদ্ধি, যা এই আয়াতের মূল বক্তব্যের সঙ্গে সংযুক্ত)

رَبِّ اشۡرَحۡ لِیۡ صَدۡرِیۡ   وَ یَسِّرۡ لِیۡۤ اَمۡرِیۡ

সে বলল, হে আমার রব! আমার জন্য আমার অন্তর প্রশস্ত করে দিন। আর আমার কাজ আমার জন্য সহজ করে দিন-20:25-26 

[সালামুন আলা মূছা এর একটি দুআ-ও আয়াত-এর ৪৬:২২  মধ্যে  ’ছদর’শব্দটির ব্যবহার রয়েছে (দ্র: ২২:৮৬ ও ২০:২৫)]

এরপরও এরা এত বড় জালিম, পাষান যে বানিয়ে বানিয়ে গল্পকাহিনী বলে লোকেদের আল কোরআনের মূল শিক্ষা থেকে দূরে রাখে, এভাবে বলায় একটুও যে ভয় লাগে না! অথচ আল্লাহর রাসূলকে আল্লাহ কিভাবে threat দিয়েছেন দেখুন-

আর যদি সে আমাদের বিরুদ্ধে কিছু কথা বানিয়ে বলত; অবশ্যই আমরা তাকে ডানহাতে ধরতাম। এরপর তার থেকে হৃদপিণ্ডের প্রধান ধমনী অবশ্যই কেটে দিতাম। তখন তোমাদের মধ্য থেকে তার ক্ষেত্রে রক্ষাকারী কেউই নেই- সুরা আল-হাক্কাহ 69:44-47 

📖 “তোমরা নিজেদের জিহ্বার সাহায্যে মিথ্যা বর্ণনা করো না- (সূরা আন-নাহল ১৬:১১৬)

📖তাদের জন্য কি যথেষ্ট নয় যে আমরা, আমরাই তোমার ওপর কিতাব নাযিল করেছি, যা তাদের সামনে পাঠ করা হয়? নিশ্চয়ই সেটার মধ্যে এমন জনগোষ্ঠীর জন্য অবশ্যই অনুগ্রহ ও উপদেশ রয়েছে, যারা ঈমান রাখে-29:51

এসব ফিতনা থেকে বাঁচতে দুআ-

1.    1. বিভ্রান্তি ও মিথ্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য:

"رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَّدُنكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ"

"রব্বানা লা তুযিগ্‌ কুলুবানা বা’দাইয হাদাইতানা ওয়াহাব লানা মিল্‌ লাদুংকা রহমাতান ইন্নাকা আন্তাল ওয়াহ্‌হাব।"

হে আমাদের রব! আমাদেরকে হিদায়েত দানের পরে আমাদের অন্তরসমূহকে বক্র করবেন না, আর আমাদেরকে দান করুন আপনার পক্ষ থেকে দয়া, নিশ্চয়ই আপনি, আপনিই মহান দাতা-3:8 

2. শয়তানের প্ররোচনা ও মিথ্যা থেকে আশ্রয় চাওয়ার জন্য:

"رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَنْ يَحْضُرُونِ"


"রব্বি আউযু বিকা মিন হামাযাতিশ্ শাইয়াতিন, ওয়া আউযু বিকা রব্বি আইয়্যাহযুরুন।"

“হে আমার রব! আমি শয়তানদের প্ররোচনা থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই। এবং আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই, যাতে তারা আমার কাছে উপস্থিত না হয়।”(সূরা আল-মু'মিনুন: ৯৭-৯৮)

১. জ্ঞান এবং প্রজ্ঞা বৃদ্ধির জন্য দুআ:

رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا

"হে আমার রব, আমাকে জ্ঞান বৃদ্ধি করুন"-20:114


2.    আল্লাহর সঠিক পথে দৃঢ় থাকার দোয়া: 

"رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي، وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي"

"রব্বিশ্‌রাহ্‌লি সাদরি ওয়া ইয়াস্‌সির্‌লি আমরি।"
“হে আমার রব! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন এবং আমার কাজ সহজ করে দিন”(সূরা ত্বা-হা: ২৫-২৬)


4. ফিতনা ও বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা পাওয়ার দোয়া:

رَبِّ انصُرْنِي عَلَى الْقَوْمِ الْمُفْسِدِينَ

রব্বির্ন্ছুনী আ-লাল্ ক্বওমিল্ মুফ্সিদীন্।  হে আমার রব!  আপনি আমাকে বিশৃঙ্খল উচ্ছৃঙ্খল জনতার বিরুদ্ধে সাহায্য করুন- আল কুরআন ২৯:৩০ 

رَّبَّنَا عَلَيْكَ تَوَكَّلْنَا وَإِلَيْكَ أَنَبْنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ  رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلَّذِينَ كَفَرُوا وَاغْفِرْ لَنَا رَبَّنَا ۖ إِنَّكَ أَنتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ

রব্বানা-‘আলাইকা তাওয়াক্কাল্না-অইলাইকা আনাব্না-অইলাইকাল্ মাছী-র। রব্বানা- লা- তাজ্ব ‘আল্না- ফিতœাতাল্ লিল্লাযীনা কাফারূ অর্গ্ফিলানা-রব্বানা -ইন্নাকা আংতাল ‘আযীযুল্ হাকীম্। 

হে আমাদের রব! আমরা আপনার উপরই ভরসা করি এবং আপনার দিকে আমরা মুখ ফেরাই আর আপনার কাছেই প্রত্যাবর্তনস্থল। হে আমাদের রব! যারা কুফর করেছে আমাদেরকে তাদের জন্য ফিতনা বানাবেন না। আর আমাদেরকে ক্ষমা করুন। হে আমাদের রব! নিশ্চয়ই আপনি, আপনিই  পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়- আল কুরআন ৬০:৪, ৬০:৫ 

رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذۡنَاۤ اِنۡ نَّسِیۡنَاۤ اَوۡ اَخۡطَاۡنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تَحۡمِلۡ عَلَیۡنَاۤ اِصۡرًا کَمَا حَمَلۡتَہٗ عَلَی الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تُحَمِّلۡنَا مَا لَا طَاقَۃَ لَنَا بِہٖ ۚ وَ اعۡفُ عَنَّا ٝ وَ اغۡفِرۡ لَنَا ٝ وَ ارۡحَمۡنَا ٝ اَنۡتَ مَوۡلٰىنَا فَانۡصُرۡنَا عَلَی الۡقَوۡمِ الۡکٰفِرِیۡنَ ﴿۲۸۶﴾٪

হে আমাদের রব! আমরা যদি ভুলে যাই বা ভুল করি, আপনি আমাদের ধরবেন না। হে আমাদের রব! আর আপনি আমাদের ওপর তেমন ভার চাপিয়ে দিবেন না, যেমন আমাদের পূর্বে যারা ছিল তাদের ওপর তা চাপিয়ে দিয়েছিলেন। হে আমাদের রব! আর আপনি আমাদেরকে এমনকিছু চাপিয়ে দিবেন না, যেটার সামর্থ্য আমাদের নেই। আর আপনি আমাদের মাফ করুন এবং আপনি আমাদের ক্ষমা করুন আর আপনি আমাদের অনুগ্রহ করুন। আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং আপনি আমাদেরকে কাফির জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সাহায্য করুন!-2:286

5. সঠিক পথে অবিচল থাকার জন্য দোয়া:

"اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ"

"ইহদিনাস্‌ সিরাতাল মুসতাকিম।"  “আমাদের সরল পথে পরিচালিত করুন।” (সূরা আল-ফাতিহা: ৬)


Post a Comment (0)
Previous Post Next Post