━━━━༻❁༺━━━━সালামুন আলাইকুম! Why?
💠আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলের শিখানো অভিবাদন পদ্ধতি কী!
💠আল-কুরআনের শিখানো অভিবাদন পদ্ধতি !
💠মুমিনদের পারস্পরিক অভিবাদন: আল্লাহর রহমতের ঘোষণা: কী সেটা?
✅ সালাম দিতে:
সালামুন আলাইকুম (Salamun Alaikum)
[আল কোরআন, সুরা আন'আম, আয়াত:৬:৫৪]
✅ সালাম দিতে:
সালামুন আলাইকুম (Salamun Alaikum)
[আল কোরআন, সুরা আন'আম, আয়াত:৬:৫৪]
✅ সালামের উত্তর দিতে:
সালামুন আলাইকুম
[আল কোরআন, সুরা আন নিসা, আয়াত: ৪:৮৬]
🌈 সবচেয়ে সুন্দর ও উত্তম উত্তর:
সালামুন আলাইকুম তিবতুম মুবারাকাতান ত্বায়্যিবাহ!
[ আল কোরআন, সুরা যুমার: ৩৯:৭৩ ও নূর: ২৪:৬১]
🚫 মনে রাখবেন: সালামের শব্দ বিকৃত করা বা ভুল উচ্চারণ করা গুনাহের কাজ। [আয়াত ৫৮:৮]
✅ সালামের উত্তর দিতে:
[আল কোরআন, সুরা আন নিসা, আয়াত: ৪:৮৬]
🌈 সবচেয়ে সুন্দর ও উত্তম উত্তর:
🚫 মনে রাখবেন: সালামের শব্দ বিকৃত করা বা ভুল উচ্চারণ করা গুনাহের কাজ। [আয়াত ৫৮:৮]
🔗শেয়ার করে অন্যকেও সঠিক সালাম শিখতে সাহায্য করুন! সঠিকভাবে সালাম দেওয়া এবং উত্তর দেওয়া সরাসরি অহীর অনুশীলনে একটি ইবাদত।
░এবারে বিস্তারিত ░
░এবারে বিস্তারিত ░
সালামুন আলাইকুম! কেন?
মুমিনদের পারস্পরিক অভিবাদন: আল্লাহর রহমতের ঘোষণা:
সুরা আল-আন‘আমের ৫৪ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের সাথে আচরণের মূলনীতি নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
➤ আয়াত: "আর যখন তোমার কাছে তারা আসে যারা আমার আয়াতসমূহের উপর ঈমান আনে, তখন তুমি বলো, ‘সালামুন আলাইকুম’ (তোমাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক)। তোমাদের রব নিজের ওপর রহমত লিখে নিয়েছেন (কাতাবা)..." (সূরা ৬:৫৪)।
অনুধ্যান অনুযায়ী এই আয়াতের তাৎপর্য:
১. এটি সরাসরি আল্লাহর নির্দেশ:
২. নবী (সা.)-এর মাধ্যমে অনুশীলন:
৩. দুনিয়াতেই সালামের অনুশীলন:
4. সকল আয়াতসমূহের বিশ্বাসীর জন্য প্রযোজ্য:
আয়াতে বলা হয়েছে "যারা আমার আয়াতসমূহের উপর ঈমান আনে", অর্থাৎ সকল বিশ্বাসী এই অভ্যর্থনার যোগ্য, সে পূর্বে কোনো ভুল বা পাপ করুক না কেন। যতক্ষণ সে ঈমানের উপর আছে, তাকে সালাম ও সম্মান জানানো ইসলামের নির্দেশ।
২. শুধু সম্ভাষণ নয়, রহমতের ঘোষণা:
৩. 'কাতাবা' (كَتَبَ) শব্দের বিশেষ তাৎপর্য:
6. বিকৃত সম্ভাষণ/অভিবাদন ও তার কোরআনিক জবাব:
কোরআন স্পষ্টভাবে সেইসব লোকদের কথা উল্লেখ করেছে যারা বিদ্বেষবশত সম্ভাষণকে বিকৃত করত।
সূরা আল-মুজাদালাহ (৫৮), আয়াত ৮ -তে আল্লাহ তাঁর নবীকে (সাঃ) এমন লোকদের সম্পর্কে জানাচ্ছেন যারা আল্লাহ-প্রদত্ত সম্ভাষণের পরিবর্তে ভিন্ন শব্দ ব্যবহার করত:
আপনি কি তাদের দেখেননি, যাদের গোপন পরামর্শ করতে নিষেধ করা হয়েছিল, কিন্তু তারা যা নিষিদ্ধ তা-ই আবার করে? তারা পাপ, সীমালঙ্ঘন এবং রাসূলের অবাধ্যতার বিষয়ে কানাকানি করে।
আর যখন তারা আপনার কাছে আসে, তখন তারা আপনাকে এমনভাবে অভিবাদন জানায়, যেভাবে আল্লাহ আপনাকে অভিবাদন জানাননি .... সূরা আল-মুজাদালাহ আয়াত ৫৮:৮।
এই আয়াতটি স্পষ্ট করে যে, কিছু মানুষ বিদ্বেষবশত আল্লাহ-প্রদত্ত সালাম-এর পরিবর্তে বিকৃত ও অশোভন শব্দ ব্যবহার করে সম্ভাষণ জানাতো।
তাহলে আল্লাহর শেখানো অভিবাদন/ সম্ভাষণ কোনটি?
আল্লাহ তা'আলা যে অভিবাদন শিখিয়েছেন, তা হলো শান্তির দোয়া, যেমন:
আর যারা আমাদের আয়াতসমূহের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে তারা যখন তোমার কাছে আসে তখন তুমি বলো!
‘সালামুন আলাইকুম’। তোমাদের রব ‘অনুগ্রহকে’ তাঁর নিজের জন্য লিখে নিয়েছেন (কাতাবা) ... আল-আনাম ৬:৫৪।
সুতরাং, "আল্লাহ আপনাকে যেভাবে অভিবাদন জানাননি" বলতে সেই বিকৃত ও বিদ্বেষপূর্ণ অভিবাদনকে বোঝানো হয়েছে, যা বিকৃতি করে তারা উচ্চারণ করে বলা হতো।
কোরআনের আলোকে বিকৃত সম্ভাষণের উত্তর হলো বিতর্কে না জড়িয়ে কেবল ‘সালাম’ বা ‘সালামুন আলাইকুম’ বলে তাদের অজ্ঞতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া (দ্র: আয়াত ২৫:৬৩, ২৮:৫৫)।
আল-কোরআনের বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে ‘সালামুন আলাইকুম’-এর ব্যবহার:
১. আয়াতে বিশ্বাসী মুসলিমদের প্রতি আল্লাহর সুস্পষ্ট নির্দেশ: ‘সালামুন আলাইকুম’ (আয়াত-৬:৫৪)
আল্লাহ তাঁর রাসূল (সা.)-কে ঈমানদারদের স্বাগত জানানোর জন্য সরাসরি এই বাক্যটি ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন।
২. মৃত্যুর সময় ফেরেশতাদের সম্ভাষণ: ‘সালামুন আলাইকুম’ (আয়াত-১৬:৩২):
মুমিনদের রুহ কবজ করার সময় ফেরেশতারা এই পবিত্র সম্ভাষণটিই উচ্চারণ করেন।
৩. জান্নাতে প্রবেশের সময় অভ্যর্থনা: ‘সালামুন আলাইকুম’ (আয়াত-৩৯:৭৩)
জান্নাতের রক্ষীরা পুণ্যবানদের অভ্যর্থনা জানিয়ে বলবে, ‘সালামুন আলাইকুম’।
৪. আ'রাফের অধিবাসীদের সম্ভাষণ: ‘সালামুন আলাইকুম’ (আয়াত-৭:৪৬)
আ'রাফের অধিবাসীরা জান্নাতীদের দেখে সম্মান সহকারে ‘সালামুন আলাইকুম’ বলে সম্ভাষণ জানাবে।
৫. অজ্ঞ-নির্বোধদের কথার জবাবে করণীয়:
(আয়াত-২৮:৫৫, ২৫:৬৩, ৪৩:৮৮-৮৯)
হে আমার রব! নিশ্চয় এরা এমন জনগোষ্ঠী, যারা ঈমান আনবে না। অতএব, তুমি তাদের ক্ষেত্রে এড়িয়ে চলো এবং বলো, সালাম! আয়াত ৪৩:৮৮-৮৯
অজ্ঞদের অনর্থক কথার জবাবে বিতর্কে না জড়িয়ে, তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে শান্তি (‘সালাম’ বা ‘সালামুন আলাইকুম’) বলাই হলো কোরআনের নির্দেশিত পন্থা।
৬. হিদায়াত অনুসারীদের প্রতি সালাম: ‘ওয়াস-সালামু ‘আলা মানিত্তাবা‘আল হুদা’ (আয়াত-২০:৪৭)
যারা আল্লাহর প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করে, তাদের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা ঘোষণা করতে এই বিশেষ বাক্যটি ব্যবহৃত হয়েছে।
▓▒░ সালামের উত্তর░▒▓
সালামের উত্তর দেওয়ার নিয়ম (মূলনীতি):
কেউ সালাম দিলে তাকে আরও উত্তমভাবে বা অন্তত সমপর্যায়ে তার উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সালামের উত্তর দেওয়ার প্রধান এবং একমাত্র মূলনীতিটি সূরা আন-নিসা-তে উল্লেখ করা হয়েছে:
২. কোরআনে ব্যবহৃত সম্ভাষণ ও তার প্রয়োগ:
"সালামুন আলাইকুম" (সূরা আন আম ৬:৫৪)
সালামুন আলাইকুম তিবতুম-সূরা আযযুমার ৩৯:৭৩,
মুবারাকাতান তায়্যিবাহ-সূরা আন নূর ২৪:৬১
ঘরে প্রবেশ করার সময় সালাম:
"অতঃপর যখন তোমরা কোনো ঘরে প্রবেশ করবে, তখন তোমরা তোমাদের স্বজনদের প্রতি সালাম জানাবে। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বরকতময় ও পবিত্র অভিবাদন (মুবারাকাতান ত্বায়্যিবাহ!)। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা বুঝতে পারো"-২৪:৬১
আয়াত অবিশ্বাসীদের সাথে আচরণ: আল-কোরআনের নির্দেশিত পন্থা:
১. অজ্ঞদের এড়িয়ে চলতে ‘সালাম’-২৫:৬৩
2. বিশ্বাসের সুস্পষ্ট ঘোষণা: ‘লাকুম দ্বীনুকুম ওয়া লিয়া দ্বীন’ (সূরা আল-কাফিরুন, আয়াত: ১, ৬)
3. তাদেরকে বলে দিন এভাবেই যেভাবে আল্লাহ শিখিয়েছেন: ...
এবং বলো, ‘আমরা ঈমান এনেছি আমাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে এবং তোমাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে তার উপর। আর আমাদের ইলাহ ও তোমাদের ইলাহ তো একজনই’- সূরা আল-আনকাবূত, আয়াত: ৪৬
・ 。゚☆: *.☽ .* :☆゚.
আল-কোরআনে আল্লাহ তা'আলা তাঁর নবী-রাসূল এবং নির্বাচিত বান্দাদের প্রতি বিশেষ সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক হিসেবে সরাসরি 'সালাম' বা শান্তি প্রেরণ করেছেন। এই 'সালাম' তাঁদের প্রতি আল্লাহর সন্তুষ্টি, নিরাপত্তা এবং ভালোবাসার এক ঐশী ঘোষণা।
➥ সালামুন আলা: নূহ (৩৭:৭৯), ইবরাহীম (৩৭:১০৯), মূসা ও হারুন (৩৭:১২০), ইলয়িাস (ইল-ইয়াসনি) (৩৭:১৩০), ঈসা (১৯:৩৩) এবং সকল রাসূলগণ (৩৭:১৮১)
➥ ইয়াহইয়া: সালামুন আলাইহে- (১৯:১৫) তাৎর্পয: এটি তাঁর জন্য জন্ম থকেে পুনরুত্থান র্পযন্ত র্সবাত্মক ঐশী নরিাপত্তার এক অনন্য ঘোষণা।
➥ সালামুন আলা ইববাহীমের পিতাকে বিদায়ী সালাম (Farewell Salam):
সালামুন আলাইকা (১৯:৪৭)
・ 。゚☆: *.☽ .* :☆゚.
আল-কোরআনে 'সালাম'-এর বিবিধ রূপ ও তাৎপর্য:
❖ মনোনীত বান্দাদের প্রতি "সালাম":
قُلِ الْحَمْدُ لِلَّهِ وَسَلَامٌ عَلَىٰ عِبَادِهِ الَّذِينَ اصْطَفَىٰ ۗ آللَّهُ خَيْرٌ أَمَّا يُشْرِكُونَ
সালা-মুন 'আলা- 'ইবা-দিহিল্লাযী নাসত্বফা: আল্লাহর সকল মনোনীত বান্দাদের প্রতি সালাম
(এবং শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর সেই বান্দাদের প্রতি যাদেরকে তিনি মনোনীত করেছেন)-আয়াত ২৭:৫৯
❖ হিদায়েত (আয়াতসমূহ অনুসারীদের) প্রতি সালাম:
وَالسَّلَامُ عَلَىٰ مَنِ اتَّبَعَ الْهُدَىٰ
ওয়াস-সালা-মু 'আলা- মানিত-তাবা'আল হুদা-
"এবং শান্তি তার উপর, যে হেদায়েত (আল্লাহর পথ নির্দেশ) অনুসরণ করে।" সূরা ত্ব-হা, আয়াত: 20:৪৭
এই বাক্যটি সালামুন আলা মূসা এবং সালামুন আলা হারুন যখন ফেরাউনের দরবারে যান, তখন তাঁদের বক্তব্যের শেষ অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এখানে কেন "সালামুন আলাইকুম" বলা হলো না?
এটিই এই বাক্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক।
১. সম্বোধনের প্রকৃতি: "সালামুন আলাইকুম" হলো একটি সরাসরি দোয়া বা অভিবাদন, যা আয়াতে বিশ^াসী মুসলিম/ মুমিনদের মধ্যে বিনিময় করা হয়। এটি যাকে বলা হচ্ছে, তার জন্য কল্যাণ কামনা করা।
২. ফেরাউনের অবস্থান: ফেরাউন ছিল একজন কাফির, অত্যাচারী, সীমালঙ্ঘনকারী এবং নিজেকে প্রভু দাবিদার। এমন একজন বিদ্রোহীকে সরাসরি শান্তির দোয়া করা বা তার জন্য কল্যাণ কামনা করা সঙ্গত ছিল না। কারণ সে শান্তির পথে ছিল না, বরং অশান্তি ও জুলুমের প্রতীক ছিল।
৩. এটি একটি নীতিগত ঘোষণা, অভিবাদন নয়: "ওয়াসসালামু 'আলা মানিত্তাবা'আল হুদা" কোনো ব্যক্তিগত সম্ভাষণ নয়। এটি একটি শর্তযুক্ত নীতিগত ঘোষণা (Conditional Declaration of Principle)। এর মাধ্যমে মূসা (সা.আ.) বলছেন:
* শান্তি কোনো সস্তা জিনিস নয় যে, যে কাউকে দিয়ে দেওয়া হবে।
* প্রকৃত শান্তি পাওয়ার একটিই শর্ত—আর তা হলো আল্লাহর দেখানো হেদায়েতকে অনুসরণ করা।
এই ঘোষণার অন্তর্নিহিত বার্তা
এই একটি বাক্যের মাধ্যমে ফেরাউনকে দুটি বার্তা একসাথে দেওয়া হয়েছে:
একটি আমন্ত্রণ (Invitation): তাকে পরোক্ষভাবে বলা হচ্ছে, "হে ফেরাউন, শান্তি পাওয়ার দরজা তোমার জন্যও খোলা আছে। যদি তুমি অহংকার ত্যাগ করে আমাদের আনা এই হেদায়েত গ্রহণ করো, তাহলে তুমিও এই শান্তির অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে।"
একটি সতর্কবাণী (Warning): তাকে এটাও জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে, "কিন্তু যদি তুমি এই হেদায়েতকে প্রত্যাখ্যান করো, তাহলে তুমি শান্তির বাইরে থাকবে। তোমার জন্য অপেক্ষা করছে আল্লাহর আযাব ও ধ্বংস।"
উপসংহার
কেবলমাত্র আল-কোরআনের আয়াতগুলোর দিকে তাকালে এটা স্পষ্ট হয় যে, 'সালাম' কোনো সাধারণ সম্ভাষণ নয়। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনদর্শন। এটি আল্লাহর গুণ, তাঁর পক্ষ থেকে প্রেরিত নিরাপত্তা, ফেরেশতাদের পবিত্র সম্ভাষণ, সামাজিক সম্প্রীতির মাধ্যম, সংঘাত এড়িয়ে চলার উপায় এবং জান্নাতের চিরন্তন ভাষা।
সুতরাং, যখন একজন মুসলিম আরেকজনকে বলে "সালামুন আলাইকুম" (আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক), তখন সে আল্লাহর একটি সরাসরি নির্দেশ পালন করে, আল্লাহর রহমত কামনা করে এবং একটি শান্তিময় পরিবেশ তৈরির ঐশী বিধানের প্রতি নিজের আনুগত্য প্রকাশ করে। কোরআনের দৃষ্টিতে 'সালাম' হলো এমন এক শক্তিশালী ঐশী বিধান, যা ব্যক্তি, সমাজ এবং পরকালীন জীবনেও শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
কোরআনের বিশ্লেষণ থেকে এটি পরিষ্কার যে, ‘সালামুন আলাইকুম’ একটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ব্যাপক অর্থবোধক সম্ভাষণ। এটি মুমিনদের পারস্পরিক অভিবাদন, ফেরেশতাদের অভ্যর্থনা, অজ্ঞদের এড়িয়ে চলার মাধ্যম এবং এমনকি আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর প্রিয় বান্দাদের জন্য প্রেরিত সম্মাননা। এর ব্যবহার কোনো বিতর্ক বা নতুন ফেতনার বিষয় নয়, বরং এটি কোরআনের একটি মৌলিক ও সুস্পষ্ট শিক্ষা।
"...আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না (আয়াত ২:২১৬, ২:২৩১, ৩:৬৬)
"সদাকাল্লাহু ওয়া রাসূলুহ" (আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সত্যই বলেছেন’) সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ২২
আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন!
