প্রজন্ম-বংশধর-সন্তানেরা এমন হচ্ছে কেন? রক্ষার উপায় কি?
আল-কুরআনের আলোকে প্রজন্ম, বংশধর, এবং সন্তানদের পরিবর্তনশীল
মানসিকতা ও আচরণ নিয়ে
আলোচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমান যুগে সন্তানদের নৈতিকতা,
আচার-আচরণ এবং জীবনধারায়
যে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে, তার
কারণ এবং প্রতিকারের পথ
আল-কুরআন থেকে জানার চেষ্টা
করব।
[পোষ্টের নিচের দিকে কুরআনিক দুআ ও 2টি ভিডিও দ্র:]
কেন
প্রজন্ম এমন হচ্ছে?
১.
একমাত্র রবের একমাত্র নাযিলকৃত
বিধি বিধান অনুশীলন থেকে দূরে থাকা:
আল-কুরআনে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা বলেন:
- আমরা বললাম, তোমরা সবাই সেখান থেকে নেমে যাও। এরপর যখন তোমাদের কাছে আমার থেকে কোনো নির্দেশনা আসবে, এরপর যারা আমার নির্দেশনা (হুদা যা নাযিলকৃত বিধান) অনুসরণ করবে, তখন তাদের ওপর কোনো ভয় নেই আর তারা দুঃখিত হবে না-2:38
- “যে
ব্যক্তি আমার স্মরণ থেকে
বিমুখ হয়, তার জীবনে
সংকীর্ণতা আসবে এবং কিয়ামতের
দিন আমি তাকে অন্ধ
করে উঠাবো।” (সূরা
ত্বহা: ১২৪)
- আর যে দয়াময়ের উপদেশ থেকে বিরত থাকে আমরা তার জন্য শয়তান নিযুক্ত করে দিই। তখন সে তার জন্য সহচর-43:36
সন্তানদের
বড় করার সময় আমরা
অধিকাংশ সময়ে পৃথিবীব্যবস্থা, অর্থনৈতিক উন্নতি, এবং বৈষয়িক শিক্ষা
নিয়ে বেশি মনোযোগী হই।
কিন্তু আল্লাহর স্মরণ ও নৈতিক শিক্ষার
গুরুত্ব উপেক্ষিত থাকে। এর ফলে সন্তানরা
নৈতিকতা, মানবিকতা এবং আত্মার প্রশান্তি
হারিয়ে ফেলে।
২.
পারিবারিক বন্ধনের অভাব
আল-কুরআন পরিবারকে কেন্দ্রস্থল হিসেবে দেখতে বলে। পরিবারের অভ্যন্তরে
যদি পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, এবং দ্বীনদারি না
থাকে, তাহলে প্রজন্ম সঠিক দিশা পাবে
না। আল্লাহ বলেন:
৩.
শয়তানের প্রভাব
শয়তান
মানুষের সন্তানদের বিভ্রান্ত করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। কুরআনে
আল্লাহ বলেছেন:
“তোমার
স্বর দ্বারা তাদের মধ্য থেকে তুমি
যাকে পারো প্ররোচিত করো
এবং তাদের ওপর তোমার অশ্ববাহিনী
ও পদাতিকবাহিনী দিয়ে আক্রমণ করো এবং তাদের
সাথে ধন-সম্পদের ক্ষেত্রে
ও সন্তান-সন্তুতিতে অংশগ্রহণ করো এবং তাদেরকে
প্রতিশ্রুতি দাও। আর শয়তান
তাদেরকে প্রতারণা ছাড়া প্রতিশ্রুতি দেয় না” (সূরা বনি ইসরাইল: ৬৪)
............................
see the News item: শিক্ষার্থীরা যেভাবে মোবাইলে আসক্ত, তাতে সামনে অসুস্থ জাতি অপেক্ষা করছে-
Link:https://www.bd-pratidin.com/national/2025/01/25/1077622
৪.
নিজে রবের নাযিলকৃত বিধান মানায় অবহেলা করলে, অনুসরণ না
করলে সন্তানরাও বিভ্রান্ত হতে পারে:
যেন
তুমি সতর্ক করো এমন জনগোষ্ঠীকে,
যাদের পিতৃপুরুষদের সতর্ক করা হয় নাই।
ফলে তারা উদাসীন। অবশ্যই তাদের
অধিকাংশের ওপর সিদ্ধান্ত অবধারিত
হয়েছে। অতএব, তারা ঈমান আনবে
না-36:6-7
নিজ নিজ পিতা-মাতার জন্য কল্যাণ করা, নিজকে প্রথমে আত্ত¥সমর্পণ করা,
আমলে সলেহ করার আবেদন করা ও আল কুরআন ভিত্তিক পরিশুদ্ধ সন্তান চাওয়া দুআয় এভাবে:
আর আমরা
মানুষকে অসিয়ত করেছি তার বাবা-মায়ের সাথে উত্তম আচরণ করতে। তার মা তাকে কষ্ট করে
গর্ভে ধারণ করেছিল এবং তাকে কষ্ট করে প্রসব করেছিল। আর তার গর্ভধারণ এবং তার দুগ্ধত্যাগ
ত্রিশ মাস। অবশেষে যখন সে তার শক্তি-সামর্থ্যে পৌঁছল এবং চল্লিশ বছরে উপনীত হলো, সে
বলল!-
رَبِّ اَوۡزِعۡنِیۡۤ اَنۡ اَشۡکُرَ نِعۡمَتَکَ الَّتِیۡۤ اَنۡعَمۡتَ عَلَیَّ وَ عَلٰی وَالِدَیَّ وَ اَنۡ اَعۡمَلَ صَالِحًا تَرۡضٰہُ وَ اَصۡلِحۡ لِیۡ فِیۡ ذُرِّیَّتِیۡ ۚؕ اِنِّیۡ تُبۡتُ اِلَیۡکَ وَ اِنِّیۡ مِنَ الۡمُسۡلِمِیۡنَ ﴿۱۵
হে আমার রব! আপনি আমাকে আপনার সে নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের যোগ্যতা দিন, যে নিয়ামত আপনি আমার প্রতি এবং আমার বাবা-মায়ের প্রতি দিয়েছেন এবং আমলে সলেহ করার, যা আপনি পছন্দ করেন। আর আপনি আমার জন্য আমার প্রজন্মের মধ্যে পরিশুদ্ধি দান করুন। নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে তওবা করলাম। আর নিশ্চয়ই আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত।
পরিবার তথা সমাজে সত্যিকারের আদর্শ Model-এর অভাব:
উদাহরণ সৃষ্টি করা: পিতামাতার নৈতিকতা
ও আল-কুরআনের দৃষ্টিভঙ্গি:
পিতামাতা হওয়া একটি মহান দায়িত্ব যা
আল্লাহ আমাদের ওপর অর্পণ করেছেন। পিতামাতার কাজ এবং আচরণই সন্তানের চরিত্র, মূল্যবোধ
এবং ভবিষ্যতের ভিত্তি তৈরি করে। কুরআন আমাদের সৎ ও ন্যায়পরায়ণ জীবনযাপনের শাশ্বত
নির্দেশনা প্রদান করে এবং এটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আজ আমরা যে সিদ্ধান্ত নেই, তার
প্রভাব আগামী প্রজন্মের ওপর পড়ে।
আল্লাহ বলেন:
"এবং যারা বলে: হে আমাদের প্রভু, আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের থেকে আমাদের জন্য চক্ষু শীতলকারী দান করো এবং আমাদেরকে সৎকর্মশীলদের জন্য আদর্শ বানিয়ে দাও" (সূরা আল-ফুরকান, ২৫:৭৪)
এই আয়াতটি দেখায় যে, আমাদের সন্তানদের
জন্য ন্যায়পরায়ণতার উদাহরণ হওয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যদি পিতামাতা নিজেরাই
দুর্নীতি, অসততা, এবং নির্যাতনে লিপ্ত হন, তাহলে তারা কীভাবে আশা করতে পারেন যে তাদের
সন্তান সৎ এবং সমাজের একজন আদর্শ নাগরিক হবে?
পিতামাতার নৈতিকতার ভূমিকা
পরিবার হলো শিশুর প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এবং পিতামাতারা হলো তাদের প্রধান শিক্ষক। যদি পিতামাতা ঘুষ, স্বজনপ্রীতি, বা অন্য কোনো দুর্নীতিমূলক কাজে লিপ্ত হন, তবে তা ইসলামের সৎ এবং ন্যায়পরায়ণতার মূলনীতির সঙ্গে বিরোধপূর্ণ। এমন আচরণ সন্তানের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং তাদের শেখায় যে অনৈতিক আচরণ ব্যক্তিগত স্বার্থে গ্রহণযোগ্য।
দুর্নীতির প্রভাব
যখন পিতামাতা দুর্নীতি বা অসততায় লিপ্ত
হন:
1.
সন্তানের কাছে অন্যায় স্বাভাবিক হয়ে ওঠে: সন্তানরা যা
দেখে, তা অনুকরণ করে। যদি তারা দেখে যে তাদের পিতামাতা ঘুষ নিচ্ছেন বা অন্যায় করছেন,
তারা এই বিশ্বাসে বড় হতে পারে যে এই কাজগুলো স্বাভাবিক বা সফলতার জন্য প্রয়োজন।
2.
বিশ্বাসের অভাব: অসততার কারণে
পরিবারের মধ্যে বিশ্বাস নষ্ট হয়। পিতামাতার কথার সঙ্গে কাজের ফারাক দেখে সন্তানরা
তাদের প্রতি সম্মান হারিয়ে ফেলতে পারে।
3. আধ্যাত্মিক ক্ষতি: পিতামাতার অসততা ও নির্যাতন শুধু তাদের নিজের আত্মাকে নয়, তাদের সন্তানদের আধ্যাত্মিক কল্যাণকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে, কারণ এটি আল্লাহর বরকত থেকে পরিবারকে বঞ্চিত করে।
ধর্মীয় ধারনায় নামাজ, রোজা, হজ্জ্ব ইত্যাদি আনুষ্ঠানিকতা জানা থাকলেও আল কোরআনের শিক্ষায় আদ দ্বীন হিসাবে সততার শিক্ষা ততোটা কঠোরভাবে জানা নাই:
কুরআনে বারবার সততা ও ন্যায়পরায়ণতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে:
"আর একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না এবং তা ঘুষ হিসাবে শাসকদের কাছে
দিয়ো না, যেন তোমরা অন্যায়ভাবে লোকদের সম্পদের কিছু অংশ জেনে-বুঝে গ্রাস করতে পারো।"
(সূরা আল-বাকারাহ, ২:১৮৮)
ঘুষ বা দুর্নীতিতে লিপ্ত হয়ে, একজন পিতামাতা
সরাসরি আল্লাহর আদেশ লঙ্ঘন করেন। আরও খারাপ হলো, তারা তাদের সন্তানদের জন্য একই পথে
হাঁটার উদাহরণ স্থাপন করেন।
সঠিক উদাহরণ স্থাপন
যদি পিতামাতারা চান যে তাদের সন্তানরা সৎ এবং নৈতিক ব্যক্তি হিসেবে বড় হোক, তাহলে তাদের সেই মূল্যবোধগুলো নিজের জীবনেও প্রয়োগ করতে হবে। এখানে কিছু পরামর্শ:
1. কথার সঙ্গে কাজ মিলিয়ে চলা: সন্তানরা যা দেখে, তা থেকেই বেশি শেখে। পিতামাতারা যদি তাদের কাজে সততা, দয়া এবং ন্যায়পরায়ণতা দেখান, তাহলে সন্তানরাও সেই পথ অনুসরণ করবে।
[তোমরা কি মানুষকে পুণ্যের আদেশ দাও আর তোমাদের নিজেদেরকে ভুলে যাও-2:44 (26:226)]
2.
তওবা ও সংশোধন: ইসলাম প্রত্যেক
ব্যক্তিকে আল্লাহর কাছে ফিরে আসার সুযোগ দেয়। কোনো পিতামাতা ভুলের মধ্যে থাকলে, তারা
আন্তরিক তওবা করে সৎ পথে ফিরে আসতে পারেন।
3. মূল্যবোধ শিক্ষা: সন্তানদের ন্যায়পরায়ণতা,
সততা এবং দায়িত্বশীলতার গুরুত্ব শেখানো, যেভাবে আল কোরআনে বর্ণিত হয়েছে।
4.
সন্তানের জন্য দোয়া করা: নিজেদের এবং
সন্তানদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা, যাতে তারা সঠিক পথে চলতে পারে।
৫.
পরিবেশ ও সঙ্গের প্রভাব
আধুনিক
যুগে প্রযুক্তি, ইন্টারনেট এবং সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহারের মাধ্যমে সন্তানেরা খারাপ সঙ্গ ও পরিবেশে
জড়িয়ে পড়ছে। সালামুন আলা নূহ এর
কওমের কথা উল্লেখ করে আল্লাহ বলেন:
“অবশ্য
আপনি যদি তাদের ছেড়ে
দেন, তারা আপনার বান্দাদের
বিভ্রান্ত করবে। আর তারা কাফির
পাপাচারী ছাড়া জন্ম দেয় না।”
(সূরা নূহ: ২৬-২৭)
রক্ষার
উপায় কি?
১. আল্লাহর সঙ্গে তথা নাজিলকৃত অহীর অনুশীলন মজবুত করা:
- সন্তানদের ছোটবেলা থেকেই একমাত্র অহী অনুশীলনের মাধ্যম আল্লাহর কিতাব জানা ও অনুশীলনে করা যা রবের সাথে কানেকটিভিটিতে রাখবে।
- “তোমাদের রবের পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে, তোমরা সেটার অনুসরণ করো এবং তাঁর পরিবর্তে বহু অভিভাবকের অনুসরণ কোরো না। তোমরা যা উপদেশ গ্রহণ করো তা খুবই অল্প।”(আল কোরআন ৭:৩)
- আর এটা এমন বরকতময় কিতাব, যা আমরা নাযিল করেছি। অতএব, তোমরা এর অনুসরণ করো এবং তাকওয়া অবলম্বন করো। যেন তোমরা অনুগ্রহপ্রাপ্ত হতে পারো- আল কোরআন 6:155
৩.
সৎ সঙ্গ প্রদান:
আল-কুরআনে বলা হয়েছে- “সৎকর্মশীলদের সঙ্গে থাকো।” (সূরা আত-তাওবাহ: ১১৯)
সুতরাং,
সন্তানদের ভালো বন্ধুবান্ধব ও
সঙ্গদানের জন্য সচেষ্ট হওয়া
প্রয়োজন।
৪.
সময়মতো শিক্ষা ও শাস্তি
লুকমান
(সালামুন আলাইহে) তার পুত্রকে যেভাবে
উপদেশ দিয়েছিলেন, তেমনি সময়মতো সন্তানদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে
হবে। আল্লাহ বলেন:
“পুত্র! সালাত কায়েম করো, সৎকাজের আদেশ দাও, অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করো এবং ধৈর্য ধারণ করো।” (সূরা লুকমান: ১৭)
৫. দুআ করা
সন্তানদের
সঠিক পথে রাখতে সবসময়
আল্লাহর কাছে দুআ করতে
হবে। কুরআনে সালামুন আলা ইবরাহীম
এর দুআ উল্লেখ করা
হয়েছে:
“হে আমার রব! আমাকে এবং আমার সন্তানদের সালাত কায়েমকারীদের অন্তর্ভুক্ত করো।” (সূরা ইবরাহীম: ৪০)
৬. শয়তানের প্ররোচনা থেকে আশ্রয় চাওয়া:
শয়তানের
প্রতারণা থেকে রক্ষার জন্য
সবসময় আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে
হবে। আল্লাহ বলেন:
وَ اِنِّیۡۤ اُعِیۡذُہَا بِکَ وَ ذُرِّیَّتَہَا مِنَ
الشَّیۡطٰنِ الرَّجِیۡمِ
নিশ্চয়ই আমি তাকে ও তার বংশধরকে বিতাড়িত শয়তান হতে আপনার কাছে আশ্রয়ে দিচ্ছি-3:36
একটি শেষ কথা
অবশেষে, পিতামাতারা আল্লাহর কাছে তাদের কাজ এবং সন্তানদের লালন-পালনের জন্য জবাবদিহি করবেন। একজন দুর্নীতিগ্রস্ত পিতামাতা তাদের সন্তানদের ন্যায়পরায়ণ হতে আশা করতে পারেন না, যদি তারা নিজেদের জীবন পরিবর্তন না করেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন:
"নিশ্চয়ই, আল্লাহ কোনো সম্প্রদায়ের অবস্থার পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেদের অবস্থার পরিবর্তন করে।" (সূরা আর-রাদ, ১৩:১১)
আসুন আমরা সেই উদাহরণ স্থাপন করার চেষ্টা করি যা আমাদের সন্তানরা প্রাপ্য, ইসলামের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জীবন যাপন করি, যাতে তারাও ন্যায়পরায়ণ নাগরিক হয়ে উঠতে পারে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এমন পিতামাতা হতে সাহায্য করুন, যারা তাদের সন্তানদের মধ্যে ভালোর অনুপ্রেরণা জাগিয়ে তোলে এবং একটি ন্যায়পরায়ণ সমাজ গড়ে তোলে।
উপসংহার
আল-কুরআনের আলোকে প্রজন্মের পরিবর্তনের কারণ ও সমাধান
স্পষ্ট। শয়তানের প্ররোচনা, খারাপ সঙ্গ, এবং আল্লাহর শিক্ষা
থেকে দূরে থাকা সন্তানদের
নৈতিক অবক্ষয়ের প্রধান কারণ। যদি আমরা সন্তানদের
আল্লাহর শিক্ষা, সৎ পরিবেশ, এবং
সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারি, তবে
তাদের ভবিষ্যৎ আলোকিত হবে। আল্লাহর নির্দেশনা
মেনে চললে আমরা সন্তানদের
নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করতে
পারব। আল্লাহ আমাদের এই দায়িত্ব পালনে
সাহায্য করুন।
رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ، وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ

