মামলা ধারা নং ২৫:৩০!!! হুজুর কি বলে আর আল্লাহ কি বলেন?

 📌 মামলা ধারা নং ২৫:৩০!!!  হুজুর কি বলে আর আল্লাহ কি বলেন?

মিথ্যা দিয়ে ঢেকে রবের নাযিলকৃত বিধানকে ব্যর্থ করে দেয়ার জন্য পোশাকধারীদের কত্তো চটকদারী আয়োজন দেখুন (ভিডিও দ্র:)


বলো! রসূলদের মধ্য থেকে আমি নতুন নই এবং আমি জানি না আমার সাথে কী করা হবে আর না তোমাদের সাথে। যা আমার প্রতি ওহী করা হয় সেটা ছাড়া আমি অনুসরণ করি না আর আমি স্পষ্ট সতর্ককারী ব্যতিত নই-46:9  এবং আমার কাছে এই কুরআন ওহী করা হয়েছে, যেন এর দ্বারা আমি তোমাদেরকে সতর্ক করি এবং তাকেও যার কাছে তা পৌঁছবে-6:19 

কিয়ামতের দিন স্বজাতী/সম্প্রদায়ের ব্যাপারে সাক্ষ্য ডাকা হবে:

"তখন কেমন হবে, যখন আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্য থেকে একজন সাক্ষী আনব এবং তোমাকে এইসব (উম্মতের) উপর সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করব?-4:41

 

"যে দিন আল্লাহ রাসূলগণকে একত্র করবেন এবং বলবেন, ‘তোমাদেরকে (তোমার সম্প্রদায়) কী উত্তর দিয়েছে?’ তারা বলবে, ‘আমাদের কোনো জ্ঞান নেই, নিশ্চয়ই তুমি অদৃশ্যের সর্বজ্ঞ’" সুরা আল-মায়েদা (৫:১০৯) 


তবে অবশ্যই আমরা তাদেরকে জিজ্ঞাসা করব, যাদের প্রতি বার্তা পাঠানো হয়েছিল এবং অবশ্যই আমরা প্রেরিতদেরকেও জিজ্ঞাসা করব।  এরপর আমরা অবশ্যই তাদের কাছে জ্ঞানের ভিত্তিতে ঘটনা বর্ণনা করব। আর আমরা অনুপস্থিত ছিলাম না। এবং সেদিন পরিমাপই সত্য। এরপর সে, যার পরিমাপকসমূহ ভারী হবে, তাহলে তারাই সফল-7:6-8

 📌আল্লাহর রসুল-এর অভিযোগ-মামলা:

وَقَالَ ٱلرَّسُولُ يَـٰرَبِّ إِنَّ قَوْمِى ٱتَّخَذُوا۟ هَـٰذَا ٱلْقُرْءَانَ مَهْجُورًۭا

📖"আর রাসূল বলবেন, ‘হে আমার রব!! আমার সম্প্রদায় তো এই কুরআনকে পরিত্যাগ করেছিল’"-সুরা আল-ফুরকান ২৫:৩০ 


সালামুন আলা মুহাম্মদ-কে দাওয়াত ও দায়িত্ব সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে:

📖 "রাসূলের দায়িত্ব তো কেবলমাত্র (সুস্পষ্টভাবে) পৌঁছে দেওয়া"-সুরা আল-মায়েদা (৫:৯৯)

কিয়ামতের দিন কেউ কারো উপকার করতে পারবে না:

"সেদিন কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য কিছুই করতে পারবে না, এবং সেদিন সমস্ত কর্তৃত্ব শুধুমাত্র আল্লাহর হবে-82:19 

সুপারিশ?

📖 "হে ঈমানদারগণ! আমি তোমাদের যে জীবনোপকরণ দিয়েছি তা থেকে ব্যয় কর, সেই দিনের আগেই, যেদিন না কোনো কেনাবেচা হবে, না কোনো বন্ধুত্ব, না কোনো সুপারিশ- সুরা আল-বাকারা (২:২৫৪)

📖"সুপারিশকারীদের সুপারিশ তাদের কোনো কাজে আসবে না।" সুরা আল-মুদ্দাস্সির (৭৪:৪৮)

📖"সেদিন জালিমদের জন্য কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু থাকবে না, আর না কোনো সুপারিশকারী থাকবে যার কথা গ্রহণ করা হবে" সুরা গাফির (৪০:১৮) 

২. কর্মফল ও বিচার দিবসের নীতি:

"যে কেউ অণু পরিমাণ ভালো কাজ করবে, সে তা দেখতে পাবে। আর যে কেউ অণু পরিমাণ মন্দ কাজ করবে, সে তা দেখতে পাবে" (সুরা যিলযাল, ৯৯:৭-৮) 

৩. প্রত্যেককে তার কর্ম অনুযায়ী ফল দেওয়া হবে:

📖"যাতে যারা মন্দ কাজ করেছে, তারা তাদের কাজ অনুযায়ী প্রতিদান পায় এবং যারা সৎকর্ম করেছে, তারা উত্তম প্রতিদান পায়।" সুরা আল-জাসিয়াহ (৪৫:২২) 

১. প্রত্যেকে তার নিজের কর্মের জন্য দায়ী:

📖 "প্রত্যেক ব্যক্তিই তার কৃতকর্মের বন্ধনে আবদ্ধ" সুরা আল-মুদ্দাস্সির (৭৪:৩৮)

📖 "এবং মানুষ যা চেষ্টা করে, তাই সে লাভ করে" সুরা আন-নাজম (৫৩:৩৯)

ফলাফল ও শিক্ষা: কুরআন স্পষ্টভাবে বলে যে-

প্রতিটি মানুষ তার নিজ কর্ম অনুযায়ী ফল পাবে।
পাপীদের জন্য কঠিন শাস্তি নির্ধারিত, যদি তারা তওবা না করে।
সৎকর্মীরা জান্নাতে মহাপুরস্কার পাবে।
আল্লাহ কারো প্রতি সামান্যতম অন্যায় করেন না।
কিয়ামতের দিন রসূলদেরও কোনো ক্ষমতা থাকবে না।
সুপারিশ তখনই কার্যকর হবে যদি আল্লাহ অনুমতি দেন (সুরা আন-নাজম ৫৩:২৬)।
সেদিন একমাত্র আল্লাহর ইচ্ছাই কার্যকর হবে, কেউ কাউকে রক্ষা করতে পারবে না।
 

📖 “এবং কে তার চেয়ে বড় জালিম, যে আল্লাহর ব্যাপারে মিথ্যা রচনা করে বা তাঁর আয়াতসমূহ মিথ্যা প্রতিপন্ন করে? নিশ্চয়ই জালিমরা সফল হবে না।” (সূরা আল আন‘আম ৬:২১)

এই আয়াতগুলো প্রমাণ করে যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূল সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলা বা বিকৃত কোনো ধারণা প্রচার করা অত্যন্ত গুরুতর পাপ। 

তাই যদি হবে হুজুর যে বলেন (ভিডিও দ্র:)?




Post a Comment (0)
Previous Post Next Post