কোরআনে ‘গুলাম’ শব্দের মূল বিষয়সমূহ:
বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারতীয়
উপমহাদেশে মুসলিমরা সাধারণত ‘গোলাম’
/ ‘গুলাম’
শব্দটি
ব্যবহার করে
থাকেন,
বিশেষ
করে
আল্লাহর গোলাম
বা
দাস
হিসেবে। তবে
এই
শব্দটির উৎপত্তি এবং
এর
ব্যবহারের কারণ
সম্পর্কে আমাদের
কাছে
স্পষ্ট
ধারণা
নেই।
তবে
কোরআনে
"গুলাম"
শব্দটি
বিশেষভাবে বালক
বা
পুত্র
সন্তান
হিসেবে
ব্যবহৃত হয়েছে।
এই
বিষয়টি
আরও
স্পষ্টভাবে বুঝতে
আমরা
নিচে
"গুলাম"
(غُلَام) শব্দটির উল্লেখ
থাকা
আল কোরআনের কিছু
গুরুত্বপূর্ণ আয়াত
এবং
তাদের
বাংলা
দেখব:
১. ‘গুলাম’/ ‘গোলাম’ সন্তানের প্রতীক হিসেবে:
📖 সূরা মারইয়াম (১৯:৭) – নবী ইয়াহইয়া (সালামুন আলাইহে)-এর
বিষয়ে:
يَا
زَكَرِيَّا إِنَّا نُبَشِّرُكَ بِغُلَامٍ ٱسْمُهُ يَحْيَىٰ لَمْ نَجْعَل لَّهُۥ مِن
قَبْلُ سَمِيًّۭا
"হে জাকারিয়া! আমি
তোমাকে
এক
পুত্রের (গুলাম) সুসংবাদ দিচ্ছি,
যার
নাম
হবে
ইয়াহইয়া। আমি
এর
আগে
কাউকে
এই
নাম
দেইনি।"
২. সালামুন আলা ইবরাহিম-এর কাহিনীতে ‘গুলাম’:
📖 সূরা আস-সাফফাত (৩৭:১০১) – নবী ইসমাইল
((সালামুন আলাইহে))-এর
বিষয়ে:
فَبَشَّرْنَٰهُ
بِغُلَٰمٍ حَلِيمٍۢ
"অতঃপর
আমি
তাকে
একজন
সহিষ্ণু পুত্র (গুলাম) এর
সুসংবাদ দিলাম।"
প্রতিকী ছবি।
৩. জান্নাতে ‘গুলাম’:
📖
وَيَطُوفُ عَلَيْهِمْ غِلْمَٰنٌۭ لَّهُمْ كَأَنَّهُمْ لُؤْلُؤٌۭ مَّكْنُونٌۭ
"তাদের চারপাশে ঘুরবে
তরুণরা (ঘিলমান), যারা হবে
মুক্তার মতো
পরিচ্ছন্ন।" সূরা আত-তুর (৫২:২৪)
৪. মুসা (সালামুন আলাইহে) এবং (আব্দুন মিন 'Ibādī) (১৮:৬৫)-এর কাহিনীতে ‘গুলাম’:
📖 সূরা আল-কাহফ (১৮:৭৪, ১৮:৮০):
فَٱنطَلَقَا
حَتَّىٰ إِذَا لَقِيَا غُلَٰمًۭا فَقَتَلَهُۥ قَالَ أَقَتَلْتَ نَفْسًۭا
زَكِيَّةًۭ بِغَيْرِ نَفْسٍۢ ۖ لَّقَدْ جِئْتَ شَيْـًۭٔا نُّكْرًۭا
"অতঃপর তারা
চলতে
থাকলো,
এমনকি
তারা
এক
কিশোরের (গুলাম) সাথে
মিলিত
হলো,
তখন
সে
তাকে
হত্যা
করলো..."
➡️এখানে
"গুলাম"
দ্বারা
একজন
তরুণ
ছেলেকে
বোঝানো
হয়েছে,
যিনি
ঘটনাক্রমে নিহত
হন।
উপসংহার:

