📶 ঘুম থেকে উঠেই ওহী, অর্থাৎ আল্লাহর কালাম আল কোরআনের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং এর অনুশীলন:
🔗 জেগে ওঠা বা ঘুম থেকে ওঠা: প্রভাতে রবের স্মরণে সংযুক্তি:
1.
বিসমিল্লাহির
রাহমানির রাহীম। (পরম করুণাময়, অসীম
দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি)
(২৭:৩০ )
2.
আলহামদুলিল্লা-হি রব্বিল ‘আ-লামীন। (সকল প্রশংসা আল্লাহর
জন্য, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক।)
(১:২; ৬:৪৫; ১০:১০;
৩৭:১৮২; ৩৯:৭৫;
৪০:৬৫)
3.
সুবহানাল্লাহি
রব্বিল 'আলামীন" (জগতসমূহের প্রতিপালকের পবিত্রতা ঘোষণা।) (২৭:৮)
4.
"তাবারাকাল্লাহু
রব্বুল 'আলামীন" (বরকতময় আল্লাহ, জগতসমূহের প্রতিপালক।) (৬৭:১,
৪০:৬৪, ৭:৫৪,
২৫:৬১)
5.
আস্সলামতু
লিল্লাহি রব্বিল 'আলামীন!" (আমি জগতসমূহের প্রতিপালকের
নিকট আত্মসমর্পণ করলাম!) (২:১৩১;
৬:১৬২-১৬৩)
6.
ওয়া
হুওয়াল্লাযী ইউহ্য়ী ওয়া ইউমীতু ওয়া লাহুখতিলা-ফুল লাইলি ওয়ান্নাহা-র; (আর তিনিই, যিনি
জীবন দেন এবং মৃত্যু
দেন। আর রাত ও
দিনের পরিবর্তন তাঁরই কর্তৃত্বে।) (২৩:৮০)
7.
...কাযা-লিকান নুশূর। (...এভাবেই হবে পুনরুত্থান) (৩৫:৯)
8.
ফাসুব্হা-নাল্লা-হি হী-না তুম্সূ-না ওয়া হী-না তুসবিহূ-ন। ওয়া লাহুল হামদু ফিস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি... (সুতরাং তোমরা আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা
কর যখন সন্ধ্যায় উপনীত
হও এবং যখন সকালে
উপনীত হও। এবং আকাশমন্ডলী
ও পৃথিবীতে সকল প্রশংসা তাঁরই...)
(৩০:১৭-১৮)
9.
আল্লাহু
লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যূম। লা তা’খুযুহু সিনাতুঁও ওয়ালা নাউম। লাহূ মা-ফিসসামা-ওয়া-তি ওয়ামা ফিল আরদ্ব... (আল্লাহ! তিনি ছাড়া ইলাহ
নেই, চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী। তাকে ধরে না
কোনো তন্দ্রা, আর না কোনো
নিদ্রা। মহাকাশের মধ্যে যা রয়েছে ও
পৃথিবীর মধ্যে যা রয়েছে তা
তাঁরই।) (২:২৫৫)
10.
রব্বুনা
রব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি লান নাদ’উওয়া মিন দূনিহী ইলা-হান, লাক্বদ ক্বুলনা ইযান শাত্বাত্বা। (আমাদের রব! আকাশসমূহ ও
পৃথিবীর রব! আমরা কখনও
তাঁর পরিবর্তে কোনো ইলাহকে ডাকব
না, অন্যথায় অবশ্যই আমরা গর্হিত কথা
বলে ফেলব।) (১৮:১৪)
11.
"আ‘লামু আন্নাল্লাহা ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর" (আমি জানি যে,
আল্লাহ সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।) (২:২৫৯)
12.
লা
ইলাহা ইল্লা হুওয়াল 'আযীযুল হাকীম" (তিনি ব্যতীত কোন
সত্য ইলাহ নেই, তিনি
পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।) (৩:৬,
৩:১৮)
13.
রব্বুনাল্লাহ" (আমাদের রব আল্লাহ!) (৪১:৩০; ৪৬:১৩)
14.
সুবহানাকা
আল্লাহুম্মা" (হে আল্লাহ! আপনি
পবিত্র ও মহিমাময়।) (১০:১০)
15.
রব্বি
যিদনী 'ইলমা" (হে আমার রব!
আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।) (২০:১১৪)
16.
রব্বিগফির
ওয়ারহাম ওয়া আনতা খাইরুর রা-হিমীন। (হে আমার রব!
ক্ষমা করুন এবং দয়া
করুন। আর আপনিই দয়ালুদের
শ্রেষ্ঠ।) (২৩:১১৮)
17.
লা
ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায যা-লিমীন। (আপনি ব্যতীত কোনো
সত্য ইলাহ নেই; আপনি
পবিত্র, মহান! আমি তো অত্যাচারীদের
অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।) (২১:৮৭)
18.
সুবহা-নাকা তুবতু ইলাইকা ওয়া আনা আউওয়ালুল মু’মিনীন। (আপনি কতই না
পবিত্র! আমি আপনার কাছে
তওবা করছি এবং মুমিনদের
মধ্যে আমিই প্রথম।) (৭:১৪৩)
19.
হাসবুনাল্লাহু
ওয়া নি’মাল ওয়াকীল। (আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং
তিনি কতই না উত্তম
কর্মবিধায়ক!) (৩:১৭৩)
🛡️ আত্মরক্ষামূলক সূরাসমূহ (অবশ্যই পাঠ্য):
1.
সূরা
আল-ইখলাস (১১২)
2.
সূরা
আল-ফালাক (১১৩)
3. সূরা আন-ناس (১১৪)
মুসলিমের
ঘুমাতে যাওয়ার পূর্ব প্রস্তুতি:
1. বিসমিল্লাহির
রাহমানির রাহীম। (পরম করুণাময়, অসীম
দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।)
(২৭:৩০)
2. ছামি’না-ওয়াত্ব’না-, গুফরা-নাকা রব্বানা-ওয়া ইলাইকাল মাছী-র। (আমরা শুনলাম এবং
মানলাম। হে আমাদের রব!
ক্ষমা আপনারই আর প্রত্যাবর্তন আপনারই
কাছে।) (২:২৮৫)
3. রব্বানা-
লা-তুআ-খিয্না- ইন্নাসী- না-আও আখ্ত্বোয়ানা-, রব্বানা- অলা-তাহ্মিল্ ‘আলাইনায় ইছরান কামা-হামাল্তাহূ ‘আলাল্লাযীনা মিন্ ক্বাব্লিনা, রব্বানা- অলা-তুহাম্মিল্না- মা-লা-ত্বোয়া-ক্বাতা লানা-বিহ্; অ’ফু ‘আন্না-অর্গ্ফি লানা- র্অহাম্না- আংতা মাওলা-না- ফান্ছুরনা- ‘আলাল্ ক্বাওমিল্ কা-ফিরীন্। (হে আমাদের রব!
যদি আমরা বিস্মৃত হই
অথবা ভুল করি, তবে
আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের
রব! আমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর যেমন বোঝা
চাপিয়েছিলেন, আমাদের উপর তেমন বোঝা
চাপিয়ে দিবেন না। হে আমাদের
রব! আপনি আমাদেরকে এমন
কিছু বহন করাবেন না,
যার সামর্থ্য আমাদের নেই। আর আপনি
আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদের মাফ করুন এবং
আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনিই
আমাদের অভিভাবক, সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।) (২:২৮৬)
4. আলহামদুলিল্লা-হি রব্বিল ‘আ-লামীন। (সকল প্রশংসা আল্লাহর
জন্য, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক।)
(উদা: ১:২; ৬:৪৫; ১০:১০;
৩৭:১৮২; ৩৯:৭৫;
৪০:৬৫)
5. সুবহানাল্লাহি
রব্বিল 'আলামীন"। (জগতসমূহের প্রতিপালকের পবিত্রতা ঘোষণা) (২৭:৮)
6.
"তাবারাকাল্লাহু
রব্বুল 'আলামীন"। (বরকতময় আল্লাহ, জগতসমূহের প্রতিপালক।) (৬৭:১,
৪০:৬৪, ৭:৫৪,
২৫:৬১)
7.
আস্সলামতু
লিল্লাহি রব্বিল 'আলামীন!" (আমি জগতসমূহের প্রতিপালকের
নিকট আত্মসমর্পণ করলাম!) (২:১৩১;
৬:১৬২-১৬৩)
8.
ফাসুবহা-নাল্লাযী বিয়াদিহী মালাকূতু কুল্লি শাইয়িও ওয়া ইলাইহি তুরজা’ঊন। (অতএব পবিত্র তিনি,
যাঁর হাতে সকল কিছুর
রাজত্ব এবং তাঁরই দিকে
তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।) (৩৬:৮৩)
9.
ফাসুব্হা-নাল্লা-হি হী-না তুম্সূ-না ওয়া হী-না তুসবিহূ-ন। ওয়া লাহুল হামদু ফিস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি... (সুতরাং তোমরা আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা
কর যখন সন্ধ্যায় উপনীত
হও এবং যখন সকালে
উপনীত হও। এবং আকাশমন্ডলী
ও পৃথিবীতে সকল প্রশংসা তাঁরই...)
(৩০:১৭-১৮)
10.
সুবহানাকা
আল্লাহুম্মা"। (হে আল্লাহ! আপনি
পবিত্র ও মহিমাময়।) (১০:১০)
11.
আল্লাহু
লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যূম। লা তা’খুযুহু সিনাতুঁও ওয়ালা নাউম। লাহূ মা-ফিসসামা-ওয়া-তি ওয়ামা ফিল আরদ্ব... (আল্লাহ! তিনি ছাড়া ইলাহ
নেই, চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী। তাকে ধরে না
কোনো তন্দ্রা, আর না কোনো
নিদ্রা। মহাকাশের মধ্যে যা রয়েছে ও
পৃথিবীর মধ্যে যা রয়েছে তা
তাঁরই।) (২:২৫৫)
12.
ওয়া
হুওয়াল্লাযী ইউহ্য়ী ওয়া ইউমীতু ওয়া লাহুখতিলা-ফুল লাইলি ওয়ান্নাহা-র; (আর তিনিই, যিনি
জীবন দেন এবং মৃত্যু
দেন। আর রাত ও
দিনের পরিবর্তন তাঁরই কর্তৃত্বে) (২৩:৮০)
13.
...কাযা-লিকান নুশূর। (...এভাবেই হবে পুনরুত্থান।) (৩৫:৯)
14.
ইন্না
লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রা-জি’ঊন। (নিশ্চয় আমরা আল্লাহরই জন্য
এবং নিশ্চয় আমরা তাঁর দিকেই
প্রত্যাবর্তনকারী।) (২:১৫৬)
15.
ইন্না
ইলা রাব্বিনা মুনক্বালিবূন। (নিশ্চয় আমরা আমাদের রবের
দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী।) (৭:১২৫)
16.
রব্বুনা
রব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি লান নাদ’উওয়া মিন দূনিহী ইলা-হান, লাক্বদ ক্বুলনা ইযান শাত্বাত্বা। (আমাদের রব! আকাশসমূহ ও
পৃথিবীর রব! আমরা কখনও
তাঁর পরিবর্তে কোনো ইলাহকে ডাকব
না, অন্যথায় অবশ্যই আমরা গর্হিত কথা
বলে ফেলব।) (১৮:১৪)
17.
"আ‘লামু আন্নাল্লাহা ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর"। (আমি জানি যে,
আল্লাহ সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।) (২:২৫৯)
18.
লা
ইলাহা ইল্লা হুওয়াল 'আযীযুল হাকীম"। (তিনি ব্যতীত কোন
সত্য ইলাহ নেই, তিনি
পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।) (৩:৬,
৩:১৮)
19.
রব্বুনাল্লাহ"। (আমাদের রব আল্লাহ!) (৪১:৩০; ৪৬:১৩)
20.
ফা-ত্বিরাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি, আনতা ওয়ালিইয়ি ফিদ-দুনইয়া ওয়াল আ-খিরাহ, তাওয়াফফানী মুসলিমাওঁ ওয়া আলহিক্বনী বিস স-লিহীন। (হে আকাশমণ্ডলী ও
পৃথিবীর স্রষ্টা! আপনিই আমার অভিভাবক দুনিয়া
ও আখিরাতে। আমাকে মুসলিম হিসাবে মৃত্যু দিন এবং আমাকে
সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত করুন!) (১২:১০১)
21.
আ-মান্না বিআ-য়া-তি রাব্বিনা লাম্মা জা-আতনা; রাব্বানা আফরিগ ‘আলাইনা সাবরাওঁ ওয়া তাওয়াফফানা মুসলিমীন। (আমরা আমাদের রবের
আয়াতগুলোর প্রতি ঈমান এনেছি যখন
তা আমাদের কাছে এসেছে। হে
আমাদের রব! আপনি আমাদের
ওপর ধৈর্য ঢেলে দিন এবং
আমাদেরকে মুসলিম হিসেবে মৃত্যু দান করুন) (৭:১২৬)
22.
রব্বি
যিদনী 'ইলমা"। (হে আমার রব!
আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।) (২০:১১৪)
23.
রব্বিগফির
ওয়ারহাম ওয়া আনতা খাইরুর রা-হিমীন। (হে আমার রব!
ক্ষমা করুন এবং দয়া
করুন। আর আপনিই দয়ালুদের
শ্রেষ্ঠ।) (২৩:১১৮)
24.
লা
ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায যা-লিমীন। (আপনি ব্যতীত কোনো
সত্য ইলাহ নেই; আপনি
পবিত্র, মহান! আমি তো অত্যাচারীদের
অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।) (২১:৮৭)
25.
সুবহা-নাকা তুবতু ইলাইকা ওয়া আনা আউওয়ালুল মু’মিনীন। (আপনি কতই না
পবিত্র! আমি আপনার কাছে
তওবা করছি এবং মুমিনদের
মধ্যে আমিই প্রথম।) (৭:১৪৩)
26.
হাসবুনাল্লাহু
ওয়া নি’মাল ওয়াকীল। (আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং
তিনি কতই না উত্তম
কর্মবিধায়ক!) (৩:১৭৩)
🛡️ আত্মরক্ষামূলক সূরাসমূহ (অবশ্যই পাঠ্য):
1.
সূরা
আল-ইখলাস (১১২)
2.
সূরা
আল-ফালাক (১১৩)
3.
সূরা
আন-ناس (১১৪)
═══════ • ❖ • ═══════
মুসলিমের ঘুমাতে যাওয়ার পূর্ব প্রস্তুতি:
1. বিসমিল্লাহির
রাহমানির রাহীম। (পরম করুণাময়, অসীম
দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।)
(২৭:৩০)
2. ছামি’না-ওয়াত্ব’না-, গুফরা-নাকা রব্বানা-ওয়া ইলাইকাল মাছী-র। (আমরা শুনলাম এবং
মানলাম। হে আমাদের রব!
ক্ষমা আপনারই আর প্রত্যাবর্তন আপনারই
কাছে।) (২:২৮৫)
3. রব্বানা-
লা-তুআ-খিয্না- ইন্নাসী- না-আও আখ্ত্বোয়ানা-, রব্বানা- অলা-তাহ্মিল্ ‘আলাইনায় ইছরান কামা-হামাল্তাহূ ‘আলাল্লাযীনা মিন্ ক্বাব্লিনা, রব্বানা- অলা-তুহাম্মিল্না- মা-লা-ত্বোয়া-ক্বাতা লানা-বিহ্; অ’ফু ‘আন্না-অর্গ্ফি লানা- র্অহাম্না- আংতা মাওলা-না- ফান্ছুরনা- ‘আলাল্ ক্বাওমিল্ কা-ফিরীন্। (হে আমাদের রব!
যদি আমরা বিস্মৃত হই
অথবা ভুল করি, তবে
আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের
রব! আমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর যেমন বোঝা
চাপিয়েছিলেন, আমাদের উপর তেমন বোঝা
চাপিয়ে দিবেন না। হে আমাদের
রব! আপনি আমাদেরকে এমন
কিছু বহন করাবেন না,
যার সামর্থ্য আমাদের নেই। আর আপনি
আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদের মাফ করুন এবং
আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনিই
আমাদের অভিভাবক, সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।) (২:২৮৬)
4. আলহামদুলিল্লা-হি রব্বিল ‘আ-লামীন। (সকল প্রশংসা আল্লাহর
জন্য, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক।)
(উদা: ১:২; ৬:৪৫; ১০:১০;
৩৭:১৮২; ৩৯:৭৫;
৪০:৬৫)
5. সুবহানাল্লাহি
রব্বিল 'আলামীন"। (জগতসমূহের প্রতিপালকের পবিত্রতা ঘোষণা) (২৭:৮)
6.
"তাবারাকাল্লাহু
রব্বুল 'আলামীন"। (বরকতময় আল্লাহ, জগতসমূহের প্রতিপালক।) (৬৭:১,
৪০:৬৪, ৭:৫৪,
২৫:৬১)
7.
আস্সলামতু
লিল্লাহি রব্বিল 'আলামীন!" (আমি জগতসমূহের প্রতিপালকের
নিকট আত্মসমর্পণ করলাম!) (২:১৩১;
৬:১৬২-১৬৩)
8.
ফাসুবহা-নাল্লাযী বিয়াদিহী মালাকূতু কুল্লি শাইয়িও ওয়া ইলাইহি তুরজা’ঊন। (অতএব পবিত্র তিনি,
যাঁর হাতে সকল কিছুর
রাজত্ব এবং তাঁরই দিকে
তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।) (৩৬:৮৩)
9.
ফাসুব্হা-নাল্লা-হি হী-না তুম্সূ-না ওয়া হী-না তুসবিহূ-ন। ওয়া লাহুল হামদু ফিস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি... (সুতরাং তোমরা আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা
কর যখন সন্ধ্যায় উপনীত
হও এবং যখন সকালে
উপনীত হও। এবং আকাশমন্ডলী
ও পৃথিবীতে সকল প্রশংসা তাঁরই...)
(৩০:১৭-১৮)
10.
সুবহানাকা
আল্লাহুম্মা"। (হে আল্লাহ! আপনি
পবিত্র ও মহিমাময়।) (১০:১০)
11.
আল্লাহু
লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যূম। লা তা’খুযুহু সিনাতুঁও ওয়ালা নাউম। লাহূ মা-ফিসসামা-ওয়া-তি ওয়ামা ফিল আরদ্ব... (আল্লাহ! তিনি ছাড়া ইলাহ
নেই, চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী। তাকে ধরে না
কোনো তন্দ্রা, আর না কোনো
নিদ্রা। মহাকাশের মধ্যে যা রয়েছে ও
পৃথিবীর মধ্যে যা রয়েছে তা
তাঁরই।) (২:২৫৫)
12.
ওয়া
হুওয়াল্লাযী ইউহ্য়ী ওয়া ইউমীতু ওয়া লাহুখতিলা-ফুল লাইলি ওয়ান্নাহা-র; (আর তিনিই, যিনি
জীবন দেন এবং মৃত্যু
দেন। আর রাত ও
দিনের পরিবর্তন তাঁরই কর্তৃত্বে) (২৩:৮০)
13.
...কাযা-লিকান নুশূর। (...এভাবেই হবে পুনরুত্থান।) (৩৫:৯)
14.
ইন্না
লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রা-জি’ঊন। (নিশ্চয় আমরা আল্লাহরই জন্য
এবং নিশ্চয় আমরা তাঁর দিকেই
প্রত্যাবর্তনকারী।) (২:১৫৬)
15.
ইন্না
ইলা রাব্বিনা মুনক্বালিবূন। (নিশ্চয় আমরা আমাদের রবের
দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী।) (৭:১২৫)
16.
রব্বুনা
রব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি লান নাদ’উওয়া মিন দূনিহী ইলা-হান, লাক্বদ ক্বুলনা ইযান শাত্বাত্বা। (আমাদের রব! আকাশসমূহ ও
পৃথিবীর রব! আমরা কখনও
তাঁর পরিবর্তে কোনো ইলাহকে ডাকব
না, অন্যথায় অবশ্যই আমরা গর্হিত কথা
বলে ফেলব।) (১৮:১৪)
17.
"আ‘লামু আন্নাল্লাহা ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর"। (আমি জানি যে,
আল্লাহ সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।) (২:২৫৯)
18.
লা
ইলাহা ইল্লা হুওয়াল 'আযীযুল হাকীম"। (তিনি ব্যতীত কোন
সত্য ইলাহ নেই, তিনি
পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।) (৩:৬,
৩:১৮)
19.
রব্বুনাল্লাহ"। (আমাদের রব আল্লাহ!) (৪১:৩০; ৪৬:১৩)
20.
ফা-ত্বিরাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি, আনতা ওয়ালিইয়ি ফিদ-দুনইয়া ওয়াল আ-খিরাহ, তাওয়াফফানী মুসলিমাওঁ ওয়া আলহিক্বনী বিস স-লিহীন। (হে আকাশমণ্ডলী ও
পৃথিবীর স্রষ্টা! আপনিই আমার অভিভাবক দুনিয়া
ও আখিরাতে। আমাকে মুসলিম হিসাবে মৃত্যু দিন এবং আমাকে
সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত করুন!) (১২:১০১)
21.
আ-মান্না বিআ-য়া-তি রাব্বিনা লাম্মা জা-আতনা; রাব্বানা আফরিগ ‘আলাইনা সাবরাওঁ ওয়া তাওয়াফফানা মুসলিমীন। (আমরা আমাদের রবের
আয়াতগুলোর প্রতি ঈমান এনেছি যখন
তা আমাদের কাছে এসেছে। হে
আমাদের রব! আপনি আমাদের
ওপর ধৈর্য ঢেলে দিন এবং
আমাদেরকে মুসলিম হিসেবে মৃত্যু দান করুন) (৭:১২৬)
22.
রব্বি
যিদনী 'ইলমা"। (হে আমার রব!
আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।) (২০:১১৪)
23.
রব্বিগফির
ওয়ারহাম ওয়া আনতা খাইরুর রা-হিমীন। (হে আমার রব!
ক্ষমা করুন এবং দয়া
করুন। আর আপনিই দয়ালুদের
শ্রেষ্ঠ।) (২৩:১১৮)
24.
লা
ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায যা-লিমীন। (আপনি ব্যতীত কোনো
সত্য ইলাহ নেই; আপনি
পবিত্র, মহান! আমি তো অত্যাচারীদের
অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।) (২১:৮৭)
25.
সুবহা-নাকা তুবতু ইলাইকা ওয়া আনা আউওয়ালুল মু’মিনীন। (আপনি কতই না
পবিত্র! আমি আপনার কাছে
তওবা করছি এবং মুমিনদের
মধ্যে আমিই প্রথম।) (৭:১৪৩)
26.
হাসবুনাল্লাহু
ওয়া নি’মাল ওয়াকীল। (আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং
তিনি কতই না উত্তম
কর্মবিধায়ক!) (৩:১৭৩)
🛡️ আত্মরক্ষামূলক সূরাসমূহ (অবশ্যই পাঠ্য):
1.
সূরা
আল-ইখলাস (১১২)
2.
সূরা
আল-ফালাক (১১৩)
3. সূরা আন-ناس (১১৪)
═══════ • ❖ • ═══════
বিস্তারিত:
🔗কেন ঘুম থেকে উঠেই ওহীর সংযোগ স্থাপনের অনুশীলনীতে যাওয়া-
তারপর পবিত্রতা আল্লাহরই! যখন তোমাদের সন্ধ্যা হয় আর যখন তোমাদের সকাল হয়; আর মহাকাশের ও পৃথিবীর মধ্যকার সমস্ত প্রশংসা তাঁরই জন্য। আর বিকালে এবং যখন তোমাদের দুপুর হয়। তিনি মৃত থেকে জীবিত বের করেন এবং জীবিত থেকে মৃত বের করেন আর ভূমিকে সেটার নির্জীবতার পর জীবন্ত করেন। আর ওভাবেই তোমাদের বের করা হবে- সূরা আর রূম ৩০:১৭-১৯
৪.
* সূরা আল-ইসরা (১৭:৮২) এ বলা হয়েছে: "وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ" (আর আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা হচ্ছে মুমিনদের জন্য আরোগ্য ও রহমত)। দিনের শুরুতে এই আরোগ্য ও রহমত গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
📌 নিজেকে সজীব ও প্রাণবন্ত রাখার জন্য রূহের খোরাক অপরিহার্য, আর সেই খোরাক হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা ওহী তথা আল-কুরআন:
রূহের স্বরূপ ও জ্ঞান: সূরা আল-ইসরা (১৭:৮৫) অনুযায়ী, রূহ আল্লাহর আদেশের অন্তর্ভুক্ত, এবং এ বিষয়ে মানুষকে সীমিত জ্ঞানই দেওয়া হয়েছে। এটি ইঙ্গিত করে যে রূহের প্রকৃত গভীরতা ও তাৎপর্য সম্পূর্ণরূপে অনুধাবন করা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়, তবে এর কার্যাবলী ও প্রভাব আমরা উপলব্ধি করতে পারি।
📜ওহী বা আল-কুরআন হলো 'রূহ':
সূরা আন-নাহল (১৬:২), আশ-শূরা (৪২:৫২) এবং গাফির (৪০:১৫) এর আয়াতগুলো স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, আল্লাহ তাঁর ওহীকে 'রূহ' হিসেবে প্রেরণ করেন। এই 'রূহ' বা ওহী মানুষকে মৃতপ্রায় অবস্থা থেকে আধ্যাত্মিক জীবনে ফিরিয়ে আনে, অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে জ্ঞানের আলোতে নিয়ে আসে এবং সঠিক পথের দিশা দেয়। এটি মানুষের আত্মাকে সজীব করে তোলে।
👉রূহ বিশেষ আধ্যাত্মিক শক্তি:
সূরা আল-মুজাদালা (৫৮:২২) অনুসারে, আল্লাহ ঈমানদারদের অন্তরকে ঈমান দ্বারা সুশোভিত করেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে 'রূহ' (বিশেষ আধ্যাত্মিক শক্তি বা সহায়তা) দ্বারা তাদের শক্তিশালী করেন। এটি প্রমাণ করে যে, আল্লাহর সাথে গভীর সম্পর্ক এবং ঈমানের দৃঢ়তা থাকলে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের বিশেষভাবে সাহায্য করেন।
👉রূহ (Ruh) আল্লাহর রহমত ও প্রশান্তি:
সূরা ইউসুফ (১২:৮৭) এ 'রওহিল্লাহ' (رَوْحِ ٱللَّهِ) শব্দটি আল্লাহর রহমত, করুণা বা স্বস্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। যদিও 'রূহ' (الروح) এবং 'রওহ' (الروح) শব্দ দুটির মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য থাকতে পারে, উভয়ই আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা ইতিবাচক ও জীবনদায়ী বিষয়কে নির্দেশ করে। আল্লাহর রহমত থেকেও নিরাশ না হওয়ার নির্দেশ আমাদের আত্মাকে আশাবাদী ও সজীব রাখে।
👉ওহীর সাথে সংযোগে রূহের সজীবতা:
সূরা আল-আনআম (৬:১২২) এর উপমাটি অত্যন্ত শক্তিশালী। যে ব্যক্তি আধ্যাত্মিকভাবে মৃত ছিল, আল্লাহ তাকে ওহীর আলো দ্বারা জীবিত করেছেন এবং সঠিক পথে চলার দিশা দিয়েছেন। এটি পরিষ্কার করে যে, কুরআনের সাথে নিয়মিত সংযোগ, এর চর্চা ও অনুশীলন আমাদের আত্মাকে বা রূহকে সজীব ও প্রাণবন্ত রাখে, ঠিক যেমন শারীরিক জীবনের জন্য খাদ্য ও পানীয় অপরিহার্য।
আল-কুরআন শুধু একটি ধর্মগ্রন্থ নয়, বরং এটি মানবজাতির জন্য একটি জীবনদায়ী 'রূহ' বা আধ্যাত্মিক শক্তি, যা আমাদের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে, শক্তিশালী করে এবং আল্লাহর নির্দেশিত পথে পরিচালিত করে। এই 'রূহ'-এর সাথে সংযোগ স্থাপন এবং এর আলোকে জীবন পরিচালনা করাই হলো প্রকৃত অর্থে নিজেকে তাজা ও জীবিত রাখা।
--- ✨ ---
🔗 জেগে ওঠা বা ঘুম থেকে ওঠা: প্রভাতে রবের স্মরণ:
1.
رَبُّنَا رَبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ لَن نَّدْعُوَا مِن دُونِهِۦٓ إِلَٰهًا لَّقَدْ قُلْنَآ إِذًا شَطَطًا
রব্বুনা রব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি লান নাদ’উওয়া মিন দূনিহী ইলা-হান, লাক্বদ ক্বুলনা ইযান শাত্বাত্বা।
অর্থ: আমাদের রব! আকাশসমূহের ও পৃথিবীর রব! আমরা কখনও তাঁর পরিবর্তে কোনো ইলাহকে ডাকব না, অন্যথায় অবশ্যই আমরা গর্হিত কথা বলে ফেলব- আল কুরআন ১৮:১৪ (১৮:১৩-১৪)।
وَهُوَ ٱلَّذِي يُحۡيِۦ وَيُمِيتُ وَلَهُ ٱخۡتِلَٰفُ ٱلَّيۡلِ وَٱلنَّهَارِۚ
ওয়া হুওয়াল্লাযী ইউহ্য়ী ওয়া ইউমীতু ওয়া লাহুখতিলা-ফুল লাইলি ওয়ান্নাহা-র;।
আর তিনিই, যিনি জীবন দেন এবং মৃত্যু দেন। আর রাত ও দিনের পরিবতন ক্ষমতা তাঁরই জন্য-২৩:৮০।
...كَذَٰلِكَ النُّشُورُ
...কাযা-লিকান নুশূর।
অর্থ: "...এভাবেই হবে পুনরুত্থান।"
সূত্র: আল কুরআন, সূরা ফাতির (৩৫:৯ (শেষ অংশ)।
1. সকল কাজ আল্লাহর পরিচয়ের স্মরণে শুরু করা:
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
* আল্লাহ, তিনি ছাড়া ইলাহ নেই, চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী। তাকে ধরে না কোনো তন্দ্রা, আর না কোনো নিদ্রা। মহাকাশের মধ্যে যা রয়েছে ও পৃথিবীর মধ্যে যা রয়েছে তা তাঁরই। (সূরা আল-বাকারা, ২:২৫৫)
3. "আ‘লামু আন্নাল্লাহা ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর"
আমি জানি যে, আল্লাহ সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। (সূরা আল-বাকারা, ২:২৫৯)
৩. ফাসুব্হা-নাল্লা-হি হী-না তুম্সূ-না ওয়া হী-না তুসবিহূ-ন। ওয়া লাহুল হামদু ফিস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি...
তারপর পবিত্রতা আল্লাহরই! যখন তোমাদের সন্ধ্যা হয় আর যখন তোমাদের সকাল হয়; আর মহাকাশের ও পৃথিবীর মধ্যকার সমস্ত প্রশংসা তাঁরই জন্য। (সূরা আর-রূম, ৩০:১৭-১৮ এর অংশ)
৪. "আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল 'আলামীন"
আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসার শ্রেষ্ঠ বাক্য। (যেমন: সূরা আল-ফাতিহা ১:২; সূরা আল-আন'আম ৬:৪৫; সূরা ইউনুস ১০:১০; সূরা আস-সাফফাত ৩৭:১৮২; সূরা আয-যুমার ৩৯:৭৫; সূরা গাফির ৪০:৬৫)
৫. "সুবহানাল্লাহি রব্বিল 'আলামীন"
জগতসমূহের প্রতিপালকের পবিত্রতা ঘোষণা। (যেমন ইঙ্গিত রয়েছে সূরা আন-নামল ২৭:৮ এ)
৬. "তাবারাকাল্লাহু রব্বুল 'আলামীন"
বরকতময় আল্লাহর মহিমা ঘোষণা। (যেমন: সূরা আল-মুলক ৬৭:১; সূরা গাফির ৪০:৬৪; সূরা আল-আ'রাফ ৭:৫৪; সূরা আল-ফুরকান ২৫:৬১)
৭. "আস্লামতু লিল্লাহি রব্বিল 'আলামীন!"
আল্লাহর প্রতি পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ। (যেমন: সূরা আল-বাকারা ২:১৩১; সূরা আল-আন'আম ৬:১৬২-১৬৩)
৮. "রব্বুনাল্লাহ"
আমাদের রব আল্লাহ – এই ঈমানের ঘোষণা। (যেমন: সূরা ফুসসিলাত ৪১:৩০; সূরা আল-আহকাফ ৪৬:১৩)
৯. "রব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া আনতা খাইরুর রাহিমীন"
হে আমার রব! ক্ষমা করুন এবং দয়া করুন। আর আপনিই দয়ালুদের শ্রেষ্ঠ। (সূরা আল-মু'মিনূন ২৩:১১৮)
১০. "লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায যলিমীন"-সূরা আল-আম্বিয়া ২১:৮৭
১১. "লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল 'আযীযুল হাকীম"
আল্লাহর একত্ববাদ এবং তাঁর পরাক্রম ও প্রজ্ঞার স্বীকৃতি। (যেমন: সূরা আলে ইমরান ৩:৬, ৩:১৮)
১২. "হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকীল"
আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসার ঘোষণা। (সূরা আলে ইমরান ৩:১৭৩)
১৩. "রব্বি যিদনী 'ইলমা"
জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা। (সূরা ত্ব-হা ২০:১১৪)
১৪. "সুবহানাকা আল্লাহুম্মা"
হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র ও মহিমাময়। (সূরা ইউনুস ১০:১০ এর অংশবিশেষ, জান্নাতীদের সম্ভাষণ)
সূরা আল-ইখলাস, আল-ফালাক ও আন-ناس :
- সূরা আল-ইখলাস (১১২২): আল্লাহর একত্ববাদের ঘোষণা।
- সূরা আল-ফালাক (১১৩): সকল প্রকার বাহ্যিক অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা।
- সূরা আন-ناس (১১৪): মানুষের অন্তরের কুমন্ত্রণা ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা।
মুসলিমের ঘুমাতে যাওয়ার পূর্ব প্রস্তুতি:
─── ・ 。゚☆: *.☽ .* :☆゚. ───
দুআ-যিকির-তাসবিহ: সকল কাজ আল্লাহর পরিচয়ের স্মরণে শুরু করা:
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
═════ • ❖ • ════

