No Power: No Salam, No Respect, No Love, No Talks! No Action! ক্ষমতা নেই তো: সালাম নেই, সম্মান নেই, ভালোবাসা নেই, কথা নেই! নো অ্যাকশন at All!!

রাখেন আপনার ভালো মানুষগিরী!!!  এখন প্রায় সবার-ই যেন ক্ষমতার পেছনে ছুটে চলা: (সাধারণ জনগণ! হাজী-গাজী-নামাজী-হুজুর-আলেম ওলামা! শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী! এরা বুঝি একটু কম এগিয়ে!)। 


বর্তমানে যার কাছে যত সম্পদ, টাকা-পয়সা, প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক ক্ষমতা, প্রভাব-প্রতিপত্তি রয়েছে, সাধারণত মানুষের সমর্থনও তার দিকেই ঝুঁকে পড়ে। অথচ জনগণ সঠিকভাবে অবগত থাকার পরও একজন সৎ, যোগ্য, শিক্ষিত, এবং মার্জিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে কি চেয়ারম্যান নির্বাচিত করতে চায়? অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ প্রশ্নের উত্তর "না।"


এটাই বর্তমান অধিকাংশ মানুষের মনোভাব ও বাস্তবতা। একটি দেশের জনগণ যখন এ ধরনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অন্যায় ও অবিচারকে নিজেদের স্বার্থে সমর্থন করতে দ্বিধা করে না, তখন তাদের সীমালঙ্ঘন ও অধঃপতন অনিবার্য হয়ে পড়ে।


দেখুন, আল্লাহর নাযিলকৃত বিধানকে উপেক্ষা করার ফলে আমাদের সমাজিক অবক্ষয় এখন কোন স্তরে পৌঁছেছে। সালামুন আলা নূহ-এর জাতি, মুছা, লুত, হুদ, শুয়াইব-এর জাতি, আদ, ছামুদ, মাদইয়ান—সবকালের সব জাতিকেও টপকে আমরা এখন অবক্ষয়ের শিখরে পৌঁছেছি। অথচ ধর্মীয় খোলসে আমরা নিজেদের মুসলিম দাবীদার।


এ বাস্তবতার প্রমাণ পেতে নিম্নে উল্লেখিত কুরআনের আয়াতগুলো বিশ্লেষণ করলেই এসব স্পষ্ট হবে। এতে মানুষ কীভাবে সম্পদ ও সামাজিক মর্যাদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে নবী-রাসূলগণের পরামর্শকে অগ্রাহ্য করেছে, সেই চিত্র ফুটে উঠেছে। 

সমাজের অবক্ষয় এবং দায়বদ্ধতা: ধর্মীয় মূল্যবোধ বনাম বাস্তব চিত্র:

বর্তমান সমাজের দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রায় সবাই ক্ষমতা, প্রভাব ও সম্পদের সাথেই থাকতে চায়। ভদ্রতা, নম্রতা, সভ্যতা, ন্যায়-নীতি, সততা—এইসব মানবিক গুণাবলী যেন ক্রমশ বিলুপ্তির পথে। একসময় যা ছিল সামাজিক জীবনের স্তম্ভ, আজ তা শুধু কথা ও উপদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ।


অন্যদিকে, নামাজ, রোজা, হজ্জ, যাকাত পালন চলছে ধুমধামে। বাহ, কি আত্ততুষ্টি! দেখলে মনে হয় সমাজে ধর্মচর্চার অভাব নেই! কিন্তু সত্যিই কি এই চর্চাগুলো অন্তরের গভীরতা থেকে হচ্ছে, নাকি নিছক আনুষ্ঠানিকতা?


সর্বত্র ভেজাল এবং ভ্রষ্টতাপূর্ণ কথা শোনার অভ্যাস এতটাই রুটিনে পরিণত হয়েছে যে, ১০০% বিশুদ্ধ, ভেজালমুক্ত এবং নিঃস্বার্থ আল্লাহর কিতাব—আল কুরআন—এখন আর মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলছে না। এই পবিত্র কিতাব, যা মানুষের জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য নাযিল হয়েছিল, তা আজ উপেক্ষিত।

ধনী ও ক্ষমতাবানদের অনুসরণ এবং এর ফলাফল: আল কোরআনের দৃষ্টিতে:

পূর্বের ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিগুলোর ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য এবং সাধারণ মানুষের আচরণ আজকের সমাজের সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রেই মিলে যায়। আল কোরআন থেকে আমরা জানতে পারি, সেই জাতিগুলো সাধারণত তাদের ধনী-প্রাচুর্যের অধিকারী ও বিলাসী শ্রেণিকে অনুসরণ করত। তাদের অহংকার, অবাধ্যতা এবং পাপাচারের কারণে আল্লাহ তাদের শাস্তি প্রদান করেন।


আল কোরআন বারবার সতর্ক করেছে, সত্যের পথে চলতে এবং জাগতিক মোহ থেকে মুক্ত থাকতে। কিন্তু সেই সময়ের সাধারণ মানুষ ধনী-প্রভাবশালীদের প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারেনি। 


বিলাসী ও প্রভাবশালীদের আচরণ:

পূর্বের ধনী ও বিলাসীদের বৈশিষ্ট্য ছিল অহংকার, অবাধ্যতা এবং সত্য অস্বীকার করা। তারা প্রেরিত নবীদের বিরোধিতা করত এবং নিজেদের অবস্থানকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করত। তারা জাগতিক প্রাচুর্য এবং ক্ষমতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নিত।

আল কোরআনের উল্লেখযোগ্য আয়াত:

  1. সুরা সাবা (৩৪:৩৪)

"আমরা কোনো জনপদে সতর্ককারী পাঠাইনি, কিন্তু সেখানকার বিলাসী লোকেরা বলেছে: আমরা তোমাদের পাঠানো ধর্মের কথা অস্বীকার করি।"


এই আয়াতে আল্লাহ দেখিয়েছেন, বিলাসীরা সত্যকে অস্বীকার করত এবং আল্লাহর বিধান গ্রহণে অনাগ্রহ দেখাত।

  1. সুরা আল-মু'মিনুন (২৩:৩৩-৩৪)

"তাদের সম্প্রদায়ের নেতারা, যারা অবিশ্বাসী ছিল এবং আখিরাতের সাক্ষাত অস্বীকার করতো, এবং যাদেরকে আমরা দুনিয়ার জীবনে প্রাচুর্য দিয়েছিলাম, বলল: এই তো তোমাদের মতই এক মানুষ। সে যা খায়, তা-ই খায় এবং যা পান করে, তা-ই পান করে।"


ধনীরা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে নবীদের উপহাস করত।


সাধারণ মানুষের আচরণ:

সাধারণ জনগণ ধনী ও ক্ষমতাবানদের প্রতি আকৃষ্ট হতো এবং তাদের অন্ধভাবে অনুসরণ করত। তারা ধনী-প্রভাবশালীদের বিলাসিতা ও প্রতিপত্তিকে সম্মান করত এবং তাদের জীবনের পথকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করত।

আল কোরআনে কিছু উদাহরণ:

  1. সুরা আল-আহযাব (৩৩:৬৭)

"তারা বলবে: হে আমাদের প্রভু! আমরা আমাদের নেতৃস্থানীয় ও বড় বড় ব্যক্তিদের অনুসরণ করেছিলাম, আর তারা আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিল।"


সাধারণ মানুষের এই অন্ধ অনুসরণের কারণে তারা পথভ্রষ্ট হয়ে সত্যধর্ম থেকে বিচ্যুত হয়।

  1. সুরা নূহ (৭১:২১-২৪)

"নূহ বললেন, ‘হে আমার রব! তারা আমাকে অমান্য করেছে এবং তাকে অনুসরণ করেছে যার সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তাকে ক্ষতির বাইরে কিছুই বৃদ্ধি করেনি। তারা বিশাল ষড়যন্ত্র করেছে।’"


এখানে দেখা যায়, সাধারণ জনগণ ধনী ব্যক্তিদের প্রভাবিত কথাবার্তা এবং ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পড়ে নবীদের অমান্য করত।

  1. সুরা আত-তাওবা (৯:৬৯)

"তোমরা তাদের মত যারা তোমাদের পূর্বে ছিল। তারা তোমাদের চেয়ে শক্তিতে অধিক প্রবল এবং ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে অধিক ছিল। তারা তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি নিয়ে আনন্দ করত, কিন্তু তারা দুনিয়াতে যা অর্জন করেছিল তা তাদের কোনো কাজে আসেনি।"


সাধারণ জনগণ ধনী ও ক্ষমতাবানদের বিলাসিতাকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করত, কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি যে এই সম্পদ তাদের আখিরাতের জন্য কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না। 


বর্তমানের সঙ্গে মিল রয়েছে:

আজকের সমাজেও আমরা দেখতে পাই যে ধনী ও প্রভাবশালীদের প্রতি মানুষের আকর্ষণ এবং তাদের জীবনধারা অনুসরণ করার প্রবণতা ব্যাপক। কিন্তু আল্লাহর বিধান থেকে বিচ্যুত হয়ে এই পথ অনুসরণ করলে তার ফলাফল কী হতে পারে, তা আল কোরআনে বারবার স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

পূর্বের ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিগুলোর উদাহরণ আমাদের জন্য শিক্ষা। ধনী-প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রতি অন্ধ অনুসরণ এবং তাদের প্রভাব থেকে মুক্ত না হতে পারলে, আল্লাহর বিধানের বিরোধিতা করার ফল অত্যন্ত ভয়াবহ হতে পারে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই ধরণের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার তৌফিক দিন এবং সত্যের পথে চলার শক্তি দান করুন।


প্রশ্ন ওঠে, এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী কে?

  • ব্যক্তিগত চেতনার অভাব: মানুষের ভেতর থেকে প্রকৃত ধর্মীয় অনুভূতি ও আল্লাহভীতি হারিয়ে যাচ্ছে।
  • ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা: কিছু ধর্মীয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা এবং বাহ্যিক আড়ম্বরকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তারা ইসলামের গভীর শিক্ষা ও মূল্যবোধকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরতে ব্যর্থ।
  • সমাজের চাহিদা ও প্রলোভন: ক্ষমতা, ধন-সম্পদ এবং সামাজিক মর্যাদার প্রতি আসক্তি মানুষকে মূল আদর্শ থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। 

ধর্মচর্চার অভাব না থাকলেও প্রকৃত দ্বীন চর্চার অভাব:

নামাজ, রোজা, হজ্জ, যাকাত, এগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কিন্তু এগুলো তখনই অর্থবহ হয়, যখন এগুলোর মাধ্যমে মানুষ তার জীবনকে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করে। যদি দুনিয়ার মোহ, ভেজাল এবং অসততা আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে, তবে এ সব ইবাদত শুধু আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকবে।

(তবে এগুলোর পরিবর্তে আল কোরআন মতে সালাত, সিয়াম, হজ্জ, সাদাকা ... পালন করা উলিল আল বাবদের কাজ নয় কি?)

1. সূরা আয-যুখরুফ (৪৩:৩১-৩২):

"তারা বলল, ‘কেন এই কুরআন দুই জনপদের কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির ওপর নাযিল হলো না?’ তারা কি তোমার রবের অনুগ্রহ বণ্টন করে? আমরা দুনিয়ার জীবনে তাদের জীবিকা বণ্টন করেছি এবং তাদের একজনকে অপরজনের ওপর মর্যাদায় উন্নীত করেছি, যেন তারা একে অপরকে অধীন হিসাবে গ্রহণ করতে পারে। তোমার রবের অনুগ্রহ তার চেয়ে উত্তম, যা তারা সঞ্চয় করে।"

মানুষ সম্পদ ও সামাজিক অবস্থানকে আল্লাহর বেছে নেওয়ার মানদণ্ড মনে করলেও, আল্লাহ এখানে বোঝাচ্ছেন যে তাঁর দয়া এবং পথপ্রদর্শন সম্পদের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। সমাজে প্রভাবশালী ব্যক্তির মাধ্যমে আল কুরআনের উপস্থাপন সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্য হতে পারে, কিন্তু সত্য গ্রহণের মানদণ্ড সম্পদ নয়।


3. সূরা আত-তওবা (৯:৫৫):

"অতএব, তাদের সম্পদ সন্তান-সন্ততিকে দেখে মোহিত হয়ো না। আল্লাহ এর দ্বারা তাদের শাস্তি দিতে চান পার্থিব জীবনে এবং তাদের প্রাণ যাবার সময় তারা অবিশ্বাসী থাকবে।"

আল্লাহ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, দুনিয়াবি সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি আল্লাহর কাছে মূল্যের নয়; বরং এগুলো পরীক্ষা বা শাস্তির মাধ্যম।


4. সূরা আল-কাহফ (১৮:৩২-৩৬):

দুই ব্যক্তির কাহিনীতে উল্লেখ আছে, যেখানে একজন ধনী ব্যক্তি তার বাগানের গর্ব করত:

"তোমরা তাদের জন্য দুই ব্যক্তির উদাহরণ দাও। তাদের একজনকে আমরা দুটি আঙুরের বাগান দিয়েছিলাম, যা তারিখগাছ দ্বারা পরিবেষ্টিত ছিল এবং তাদের মধ্যখানে শস্যক্ষেত্র ছিল... সে বলল, ‘আমার এই সম্পদ কখনো শেষ হবে না, এবং আমি মনে করি না কিয়ামত আসবে।’"

ধনী ব্যক্তির অহংকার এবং সম্পদের প্রতি অতিমাত্রায় আসক্তি তাকে সত্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।


5. সূরা আল-আদিয়াত (১০০:৬-৮):

"নিশ্চয়ই মানুষ তার রবের প্রতি অকৃতজ্ঞ। সে নিজেই বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়। এবং সে সম্পদের প্রতি প্রচণ্ড আসক্ত।"

মানুষের স্বভাব হলো আল্লাহর প্রতি অকৃতজ্ঞ থাকা এবং দুনিয়াবি সম্পদের প্রতি অতি আসক্ত হওয়া।


6. সূরা আত-তাকাসুর (১০২:১-২):

"তোমাদের জন্য ধন-সম্পদ সংখ্যার প্রতিযোগিতা তোমাদের উদাসীন করেছে, এমনকি তোমরা কবরে পৌঁছানো পর্যন্ত।"

দুনিয়ার সম্পদ ও ক্ষমতার প্রতিযোগিতা মানুষকে আখিরাতের কথা ভুলিয়ে দেয়।


7. সূরা আল-মুনাফিকুন (৬৩:৯):

"হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ধন-সম্পদ সন্তান-সন্ততি যেন তোমাদের আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফিল না করে। আর যারা এমনটি করবে, তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত।"

এই আয়াতে আল্লাহ সতর্ক করেছেন, ধন-সম্পদ ও পরিবার যেন আল্লাহর স্মরণ থেকে মানুষকে দূরে সরিয়ে না দেয়।


পথে না আসলে নালিশ ছাড়া আর কী!

· আর মূসা বলল! হে আমাদের রব! নিশ্চয়ই আপনি ফিরআউন ও তার সভাসদকে দুনিয়ার জীবনে সৌন্দর্য উপকরণ ও ধনসম্পদ দান করেছেন। হে আমাদের রব! সেজন্য তারা আপনার পথের ব্যাপারে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। হে আমাদের রব! আপনি তাদের ধনসম্পদের ওপর ধ্বস নামিয়ে দিন এবং তাদের অন্তরগুলোর ওপর কঠোরতা দিন, কেননা তারা ঈমান আনবে না যতক্ষণ না তারা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দেখে-আল কোরআন ১০:৮৮

→ সালামুন আলা মূসা ফিরআউন ও তার অনুসারীদের বিভ্রান্তিকর ক্ষমতার বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে নালিশ করেছেন এভাবে। 

·       আর নূহ বলল! হে আমার রব! কাফিরদের মধ্য থেকে কোনো গৃহবাসীকে আপনি পৃথিবীর ওপর ছাড় দেবেন না। অবশ্য আপনি যদি তাদের ছেড়ে দেন, তারা আপনার বান্দাদের বিভ্রান্ত করবে। আর তারা কাফির পাপাচারী ছাড়া জন্ম দেয় না-সূরা নূহ (৭১:২৬-২7)


জালেমদের বাদ দিয়ে ভালোদের রক্ষার জন্য দুআ এভাবে:

رَبِّ اغۡفِرۡ لِیۡ وَ لِوَالِدَیَّ وَ لِمَنۡ دَخَلَ بَیۡتِیَ مُؤۡمِنًا وَّ لِلۡمُؤۡمِنِیۡنَ وَ الۡمُؤۡمِنٰتِ ؕ وَ لَا تَزِدِ الظّٰلِمِیۡنَ اِلَّا تَبَارًا ﴿۲۸

হে আমার রব! আপনি আমার জন্য ও আমার পিতামাতার জন্য এবং যে মুমিন হিসাবে আমার ঘরে প্রবেশ করবে তার জন্য আর মুমিন পুরুষদের ও মুমিন নারীদের জন্য ক্ষমা করে দিন। আর আপনি জালিমদেরকে বাড়িয়ে দেবেন না, ধ্বংস ছাড়া-আল কোরআন ৭১:২৮

উপসংহার:

উল্লিখিত আয়াতগুলো থেকে স্পষ্ট, কুরআনে বারবার মানুষকে দুনিয়াবি সম্পদ, সন্তান এবং মর্যাদার প্রতি আসক্তি থেকে সতর্ক করা হয়েছে। এগুলো পরীক্ষার মাধ্যম। যদি এগুলোকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়, তবে আখিরাতে তা ক্ষতির কারণ হবে।

শুধুমাত্র আল্লাহর নাযিলকৃত পথনির্দেশনাই প্রকৃত সফলতার চাবিকাঠি।

এর অনুশাসনকে অন্তরে ধারণ করে সত্য অনুসরণই পারে আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতকে সুন্দর করতে।

" দ্বীনকে ধর্ম বানিয়ে শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি জীবন পরিবর্তনের মাধ্যম।"


আপনার মতামত জানাতে কমেন্ট করুন এবং এই পোস্টটি শেয়ার করুন যেন আরও মানুষ সচেতন হতে পারে।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post