নতুন চাঁদ: রমাদান মাস! আল্লাহ কী বলেছেন? আর আমরা কী করছি? (New Moon)

আজ, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ঢাকায় নতুন চাঁদ (New Moon) হয়েছে সকাল ৬:৪৪ মিনিটে। [চন্দ্রসন/হিজরি সন-১৪৪৬]   link to know: (timeanddate.com)

তাহলে এই বছরের সাওম/সিয়াম বাংলাদেশে শুরু কবে থেকে হওয়ার কথা?

নতুন চাঁদসমূহ সম্পর্কে আল্লাহ কী বলেছেন? আর আমরা কী করছি?  Choice is yours! তবুও, একটু চিন্তাভাবনা করতে তো কোনো দোষ নেই!

[রমাদ্বানের সাহার ও ইতমামের সময়সূচী-২০২৫ পেতে পোষ্টের নিচে দ্র:]

📖 আল্লাহ সুবহানাহু তা’লা বলেন-

"তারা আপনাকে নতুন চাঁদসমূহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বলুন!  'এসব মানুষের জন্য এবং হজের সময় নির্ধারণের মাধ্যম'-সুরা আল-বাকারা ২:১৮৯

মহাকাশ পৃথিবী সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই সবার জন্য ১২টি মাসের ভিত্তি চাঁদ বা লুনার ক্যালেন্ডার আল্লাহ তাঁর কিতাবে এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, এভাবে:

"নিশ্চয়ই যেদিন তিনি সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ পৃথিবী, আল্লাহর কিতাবে মাসসমূহের সংখ্যা আল্লাহর কাছে 12 মাসসেটার মধ্য থেকে চারটি সম্মানিত। এটাই সঠিক দ্বীন। সুতরাং সেগুলোর মধ্যে তোমাদের নিজেদের প্রতি তোমরা অবিচার কোরো না"-সুরা আত-তাওবা ৯:৩৬

🎭 কিন্তু আমরা কী করছি?

আজকাল নতুন চাঁদ দেখা নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়। কেউ বিজ্ঞান হিসাবের ওপর নির্ভর করতে চায়, আবার কেউ চোখে না দেখলে গ্রহণ করে না। রমাদান মাসের শুরুর তারিখ নিয়ে যত বিভ্রান্তি মানুষের তৈরী করা বইয়ের মতবাদ দিয়ে। কখনো এক দেশে রমাদান শুরুতো অন্য দেশে ১/২দিন আগে-পরে, একদেশে একদিন ঈদ, তো অন্য দেশে পরের দিন! ইত্যাদি। সাধারণ মুসলিমরা এতে বিভ্রান্তিতে পরে যায়। আল কোরআন অবজ্ঞা করলে যা হয় আর কি! (দ্র: ২৫:৩০) অথচ, আল্লাহ আমাদের বিভক্তির জন্য নয়, বরং সময় নির্ধারণের জন্য চাঁদকে সৃষ্টি করেছেন

🤔 একটু ভাবুন...

  • আমরা কি আল্লাহর নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলছি, নাকি নিজের মত চাপিয়ে দিচ্ছি?

  • চাঁদ নিয়ে বিতর্ক না করে শুধুমাত্র রব্বুল আলামিনের নাযিলকৃত বিধান আল কুরআনিল হাকিমের নিয়মে scientifically ঐক্যের পথে আসা কি ভালো নয়?

  • আসল লক্ষ্য কি চাঁদ দেখা, নাকি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন তথা মোত্তাকী হওয়া - দ্র: ৯:৩৬, ২:১৮৫-১৮৭)?

📌 Choice is yours! তবে একটু চিন্তা করা দোষের কিছু নয়... 😊

কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক:

  • নতুন চাঁদ (আহিল্লা) মূলত মানুষের জন্য সময় গণনার মাধ্যম এবং বিশেষত হজের সময় নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • এই আয়াতে আল্লাহ চাঁদের অবস্থানকে ক্যালেন্ডারের জন্য নির্দেশনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা রমাদান, হজ, অন্যান্য ইসলামিক মাস নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • তবে, সালাতের সময় নির্ধারণ চাঁদের উপর নির্ভর করে না, বরং সূর্যের গতি অনুযায়ী হয় (যেমন সূর্যোদয়, মধ্যাহ্ন, সূর্যাস্ত ইত্যাদি)।

📌সংক্ষেপে: এই আয়াত প্রমাণ করে যে ইসলামিক ক্যালেন্ডার চাঁদের উপর নির্ভরশীল, তবে সালাতের সময় সূর্যের গতিবিধির উপর নির্ভরশীল

আপনার চিন্তা সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

১২টি মাসের ভিত্তি চাঁদ বা লুনার ক্যালেন্ডার:

মহাকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই সবার জন্য্ ১২টি মাসের ভিত্তি চাঁদ বা লুনার ক্যালেন্ডার। আল্লাহ তাঁর কিতাবে এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন।

নিশ্চয়ই যেদিন তিনি সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ ও পৃথিবী, আল্লাহর কিতাবে মাসসমূহের সংখ্যা আল্লাহর কাছে বারো মাস। সেটার মধ্য থেকে চারটি সম্মানিত। এটাই সঠিক দ্বীন। সুতরাং সেগুলোর মধ্যে তোমাদের নিজেদের প্রতি তোমরা অবিচার কোরো না-সূরা আত-তাওবা :৩৬

সারসংক্ষেপ:

  • এই আয়াতে আল্লাহ ১২টি মাসের কথা উল্লেখ করেছেন, যা হিজরি ক্যালেন্ডারে ব্যবহৃত হয়। (যদিও হিজরী ক্যালেন্ডার নিয়ে আরও কিছুটা  বুদ্ধিদৃপ্ত চিন্তার প্রয়োজন রয়েছে)।

  • এখানে আল্লাহ বলেন যে, এই ১২টি মাস আল্লাহর কিতাবে লিখিত এবং ৪টি মাস (যেমন রজব, জিলকাদ, জিলহজ, এবং মহররম) বেশি মর্যাদাপূর্ণ।

  • এই মাসগুলো পৃথিবী সৃষ্টি হওয়ার দিন থেকেই নির্ধারিত।

এছাড়া, হিজরি মাস শুরু হয় মহররম দিয়ে এবং শেষ হয় জিলহজ পর্যন্ত।

📌আল কুরআনুল মুবিনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা: অন্তর্দৃষ্টি এবং শিক্ষা: অধিকাংশ মানুষ সত্যের মাপকাঠী নয়-দ্র: সূরা ১১:১৭।


📖"আর যদি তুমি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের অনুসরণ করো, তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত করবে তারা শুধু অনুমান অনুসরণ করে এবং তারা মিথ্যা বলে" -সূরা :১১৬


📖তোমাদের রবের পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে, তোমরা সেটার অনুসরণ করো এবং তাঁর পরিবর্তে বহু অভিভাবকের অনুসরণ কোরো না। তোমরা যা উপদেশ গ্রহণ করো তা খুবই অল্প-সূরা 7:3

রমাদ্বানের সাহার ও ইতমামের সময়সূচী-২০২৫

পেতে এখানে ক্লিক করুন: 

https://drive.google.com/file/d/1yzDPl66hwBcTqBqory1ZknZg03f7ZHtz/view?usp=sharing

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post