"শুভ সকাল" GOOD Morning! কোরআনের ভাষায় কীভাবে বলতে পারি?

☀️ কোরআনের ভাষায় "শুভ সকাল" কীভাবে বলতে পারি? 

💖একটি সুন্দর কোরআনিক সম্ভাষণ হতে পারে:

͙⁺˚*•̩̩͙̩̩͙͙⁺˚*•̩̩͙̩̩͙͙

সালামুন আলাইকুম তিবতুম মুবারাকাতান ত্বায়্যিবাহ ! ফাসুবহানাল্লাহি হীনা তুসবিহুন!

অর্থ: আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আপনারা পবিত্র, বরকতময় ও উত্তম জীবন যাপন করুন! আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি যখন প্রভাতে উপনীত হয়েছি 
📖আয়াত ৩৯:৭৩+২৪:৬১৩০:১৭



😴➡️☀️ ঘুম থেকে উঠে দিনের শুরুতেই (আল-কোরআনে ঘুমকে এক প্রকার মৃত্যু বলা হয়েছে  এই বরকতময় আয়াতগুলো পাঠ করে আত্মিক প্রশান্তি লাভ করতে পারেন! আপনার দৈনন্দিন ছোট ছোট তাসবিহগুলোর  সাথে এগুলোও যুক্ত করে নিতে পারেন।

(আল-কোরআন থেকে  মূল আয়াতগুলো দেখে নিলে অনুশীলন ও অনুসরণ আরও দৃঢ় হবে, বিইজনিল্লাহ!)

   ─── ・ 。゚☆: *.☽ .* :☆゚. ───

🔹 সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত ২:২৫৫:

"আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম। লা তা’খুযুহু সিনাতুঁ ওয়ালা নাউম। লাহূ মা ফিস সামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্ব।"

✨অর্থ: আল্লাহ, তিনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী। তাঁকে তন্দ্রা বা নিদ্রা স্পর্শ করে না। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সব তাঁরই -২:২৫৫


🔹 আল্লাহর ক্ষমতার সাক্ষ্য (উদ্ধৃতাংশ):

"আ‘লামু আন্নাল্লাহা ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।"

⚡️ অর্থ: আমি জানি যে, আল্লাহ সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। 📖সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত ২:২৫৯ এর শেষাংশ


🛜✨ ঘুম থেকে উঠেই আল্লাহর স্মরণে দিন শুরু করুন, এতে রয়েছে অন্তরের প্রশান্তি ও জীবনে বরকত। নিচে কিছু ছোট, কিন্তু অত্যন্ত শক্তিশালী ও বরকতময় যিকির, দু'আ এবং কোরআনের আয়াত তুলে ধরা হলো, যা প্রতিদিন সকালে পাঠ করতে পারেন:

 ─── ・ 。゚☆: *.☽ .* :☆゚. ───

💎আরও কিছু বরকতময় যিকির ও দু'আ 

১. আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল 'আলামীন !

* অর্থ: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক। (সূরা ফাতিহা: ২)


২. সুবহানাল্লাহি রব্বিল 'আলামীন!

* অর্থ: জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহ পবিত্র ও মহিমাময়-27:8

* (কোরআনে "সুবহানাল্লাহ" এবং "রব্বিল 'আলামীন" পৃথকভাবে বহুবার এসেছে)


৩. তাবারাকাল্লাহু রব্বুল 'আলামীন!

* অর্থ: বরকতময় আল্লাহ, জগতসমূহের প্রতিপালক।  (সূরা আল-মুলক ৬৭:১)


৪. আস্লামতু লিল্লাহি রব্বিল 'আলামীন!

* অর্থ: আমি জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ করলাম।  (সূরা বাকারা: ১৩১; সূরা আন'আম: ১৬২-১৬৩)


৫. রব্বুনাল্লাহ (رَبُّنَا اللّٰهُ)!

* অর্থ: আমাদের রব আল্লাহ।  (সূরা ফুসসিলাত: ৩০; সূরা আহক্বাফ: ১৩)


৬. রব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়া আনতা খাইরুর রাহিমীন

* অর্থ: হে আমার রব! ক্ষমা করুন ও দয়া করুন, আর আপনিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।  (সূরা মুমিনূন: ১১৮)


৭. লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায যলিমীন

* অর্থ: আপনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; আপনি পবিত্র ও মহিমাময়! আমি তো সীমা লঙ্ঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত।  (সূরা আম্বিয়া: ৮৭)


৮. লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল 'আযীযুল হাকীম

* অর্থ: তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই, তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।  (সূরা আলে 'ইমরান: ৬, ১৮)


৯. হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকীল

* অর্থ: আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধানকারী! -3:173


১০. রব্বি যিদনী 'ইলমা   

অর্থ: হে আমার রব! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।  (সূরা ত্ব-হা: ১১৪)


১১. সুবহানাকা আল্লাহুম্মা!   

অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র ও মহিমাময়। (সূরা ইউনুস: ১০)

এই ছোট ছোট দু'আ, তাসবিহ ও যিকিরগুলো নিয়মিত পাঠের মাধ্যমে জাগ্রত হউন। এতে নিশ্চয়ই আল্লাহর রহমত, বরকত বর্ষিত হবে এবং আপনার শারীরিক ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পাবে, বিইজনিল্লাহ! (আল্লাহর ইচ্ছায়)! 🤲💖

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post