তবে-
ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি: স্ত্রী-স্বামী একে অপরের পোশাক ও প্রশান্তি:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّ مِنْ أَزْوَاجِكُمْ وَأَوْلَادِكُمْ عَدُوًّا لَّكُمْ فَاحْذَرُوهُمْ ۚ وَإِن تَعْفُوا وَتَصْفَحُوا وَتَغْفِرُوا فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
এখানে স্ত্রী এবং সন্তানদের ঢালাওভাবে শত্রু বলা হয়নি। আয়াতের মূল বিষয়বস্তু হলো:
এর পরের আয়াতে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে:
২. পরিবার ও সম্পদ যেন আল্লাহর স্মরণ থেকে বিমুখ না করে
এই আয়াতগুলোতে সতর্ক করা হয়েছে যে, পরিবার ও সম্পদের মোহ যেন মানুষকে আল্লাহর স্মরণ ও আনুগত্য থেকে গাফেল না করে দেয়।
ক) সূরা আল-মুনাফিকুন, আয়াত ৯
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُلْهِكُمْ أَمْوَالُكُمْ وَلَا أَوْلَادُكُمْ عَن ذِكْرِ اللَّهِ ۚ وَمَن يَفْعَلْ ذَٰلِكَ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الْخَاسِرُونَ
"হে মুমিনগণ! তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসীন না করে। আর যারা এরূপ করবে, তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত।" (সূরা আল-মুনাফিকুন, ৬৩:৯)
প্রাসঙ্গিকতা: আত-তাগাবুনের আয়াতে পরিবারকে "শত্রু" বলার কারণ হলো তারা আল্লাহর স্মরণ থেকে বিচ্যুত করতে পারে। এই আয়াতে সেই বিষয়টিই সরাসরি বলা হয়েছে এবং এমন কাজকে "ক্ষতি" হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সারসংক্ষেপ:
এই আয়াতে সকল স্ত্রী-সন্তানকে শত্রু বলা হয়নি, বরং তাদের মধ্যেকেউ কেউ শত্রুতামূলক আচরণ করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।এই "শত্রুতা" হলো আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করার মাধ্যমে, সরাসরি ঘৃণা বা হিংসার মাধ্যমে নয়। এর সমাধান হলো সতর্ক থাকা এবং তাদের ভুলগুলোকে ক্ষমা ও উদারতার সাথে দেখা, সম্পর্ক ছিন্ন করা নয়। স্ত্রী-সন্তান মূলত মানুষের জন্য একটি পরীক্ষা (ফিতনা)।
